রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে হাছিনা বেগম সুমি হত্যা ও মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার মামলায় মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল মহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার একমাত্র আসামি মহিবুল্লাহ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের মার্চে প্রেমের সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে মহিবুল্লাহ সুমিকে কাপ্তাইয়ের বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভেতরে ডেকে নেন। সেখানে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেন তিনি।
হত্যার পর আলামত নষ্ট এবং মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে সুমির দেহ বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি টয়লেটে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ঘটনার পর সুমির মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে মহিবুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমে আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উপস্থাপিত অন্যান্য আলামত ও নথিপত্র পর্যালোচনা করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রতিম রায় পাম্পু বলেন, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল ও মেডিকেল প্রতিবেদন এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় মহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত।
প্রতিবেদকের নাম 

























