
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি একক প্রার্থী দেওয়ার নীতিতে থাকবে। ফলে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।
বুধবার (২৩ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহের শিশুকুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, জাতীয় নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে অনেকে স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে দেওয়া হবে না। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দেশের চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ চলছে।
লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষের ভোগান্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি।
জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে পরে জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছে।
দেশের বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সংকটের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দুর্নীতি ও লুটপাট এবং পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন তিনি।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর প্রতিও সহযোগিতার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হলে জামায়াতের উচিত সরকারকে সহযোগিতা করা।
তিনি আরও বলেন, কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণার মধ্যে শরিয়াহভিত্তিক আইনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা থাকতে পারে। তবে দেশের সামগ্রিক কল্যাণ ও স্থিতিশীলতার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদকের নাম 




















