রাজধানীতে গ্যাস সংকট যেন কাটছেই না। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না চালকরা। কোথাও আবার গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে স্টেশন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে চালকদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থায়ও তৈরি হচ্ছে বাড়তি চাপ।
সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে এই সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। ভোররাত থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও অনেক চালক প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস না পাওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। সরবরাহ বন্ধ থাকা ও স্বল্পচাপের কারণে বেশ কয়েকটি স্টেশন কার্যক্রমও বন্ধ রেখেছে।
গ্যাস সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকদের ওপর। সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং রাইড-শেয়ারিং সেবার সঙ্গে যুক্ত চালকদের অনেকেই বলছেন, গ্যাস সংগ্রহ করতেই দিনের বড় একটি সময় চলে যাচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে কমে যাচ্ছে তাদের দৈনিক আয়, বাড়ছে সংসারের খরচ সামলানোর চাপ।
এদিকে পাইপলাইনে পর্যাপ্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) না থাকায় এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল থেকে বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ৩টা থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়েছে দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায়। রাজধানীতেও এর ফলে সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় শুধু চালকরাই নন, ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরাও। সিএনজিনির্ভর যানবাহন কম চলায় অনেক এলাকায় যাতায়াতে বাড়তি সময় লাগছে। একই সঙ্গে গ্যাসের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে সড়কে যানবাহনের চাপও তৈরি হচ্ছে।
দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে রাজধানীর পরিবহন খাতে এই সংকটের প্রভাব আরও বাড়তে পারে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন চালকসহ নগরবাসী।
প্রতিবেদকের নাম 




















