ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ আরও দুই অনুচ্ছেদে গণভোটের প্রস্তাব বিএনপির বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু ৫৪ দেশের প্রতিনিধিদের ভোটে ডংফাং স্কলারশিপের অ্যাম্বাসেডর ডা. আউয়াল পরিসংখ্যান নয়, প্রভাবই গুরুত্বপূর্ণ: নিজেকে সর্বকালের সেরা বলতে নারাজ কোহলি শাহরুখকে দেখার আশায় মান্নাতের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম: রাজকুমার রাও জয়ের জন্মদিনে শাকিব-অপুর ভালোবাসার বার্তা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: যুবলীগ নেতা শাহ আলম অনিক গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে দোকানে ডাকাতি, দেশীয় অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেপ্তার কুবির লাইব্রেরিতে আসন নিয়ে বিরোধ, পরে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত ৮ নদী-খালের বেদখল জমি উদ্ধারে কঠোর সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

হাম-রুবেলা টিকাদানে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশু সুরক্ষার আওতায়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ সময় দেখুন

 

দেশব্যাপী চলমান বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৮৫ লাখ ৮৩৩ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানে দেশের চলমান টিকাদান কর্মসূচির অগ্রগতি, আগের সময়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরকারকে সবসময় সতর্ক থাকতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর প্রতি চার বছর পরপর দেশব্যাপী ব্যাপক পরিসরে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় কর্মসূচি বন্ধ থাকায় টিকাদানে একটি বড় ঘাটতি তৈরি হয়।

আরও পড়ুনঃ  প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত: মাহদী আমিন

তার দাবি, ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহের সুযোগ না নিয়ে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় যাওয়ায় টিকা সংগ্রহে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছিল। এর ফলে কয়েক বছরের ব্যবধান তৈরি হয় এবং দেশে হামের সংক্রমণ বেড়ে যায়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত এপ্রিল থেকে জরুরি ভিত্তিতে দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয় বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী জানান, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কর্মসূচিতে ২ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা গেলেও প্রথম পর্যায়ের হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির বাইরে ছিল প্রায় ৪০ লাখ শিশু। পরে বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে ঈদুল আজহার ছুটি পর্যন্ত আরও প্রায় ১৪ লাখ শিশুকে শনাক্ত করে টিকার আওতায় আনা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বিনিয়োগ টানতে প্রবাসীদের আহ্বান, ‘ব্রেইন ড্রেইন নয়, চাই রিভার্স ড্রেইন’

হামের সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ইউনিসেফ ১০ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত ৪০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করেছে বলেও জানান তিনি। আগের মজুতের সঙ্গে এসব টিকা মিলিয়ে নতুন করে ৩৪ লাখ শিশুকে লক্ষ্য করে ক্যাচআপ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ১০ লাখ সদ্যজাত শিশু এবং আগে টিকার বাইরে থাকা ২৪ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে কর্মসূচি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ছুটির দিন এবং সন্ধ্যার পরও টিকাদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গুলিস্তানে ড্রেনে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না আ.লীগ নেতা, আটক শতাধিক

হামে আক্রান্ত পুষ্টিহীন শিশুদের দ্রুত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি তৈরি হয় উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসা খাতের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, আইসিডিডিআরবির গবেষক ও চিকিৎসক ড. চিশতি মাত্র ১৫০ টাকা ব্যয়ে বোতলভিত্তিক সিপ্যাপ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যা গুরুতর অবস্থায় থাকা শিশুদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়েছে।

করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন সংকটে দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, চলমান টিকাদান কর্মসূচির পরও পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে। ভবিষ্যতে মপআপ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য ৪৩ লাখ ডোজ টিকা ইতোমধ্যে বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ আরও দুই অনুচ্ছেদে গণভোটের প্রস্তাব বিএনপির

হাম-রুবেলা টিকাদানে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশু সুরক্ষার আওতায়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৬:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

দেশব্যাপী চলমান বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৮৫ লাখ ৮৩৩ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

শনিবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানে দেশের চলমান টিকাদান কর্মসূচির অগ্রগতি, আগের সময়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরকারকে সবসময় সতর্ক থাকতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর প্রতি চার বছর পরপর দেশব্যাপী ব্যাপক পরিসরে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় কর্মসূচি বন্ধ থাকায় টিকাদানে একটি বড় ঘাটতি তৈরি হয়।

আরও পড়ুনঃ  বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বাংলাদেশ, আজ নিউইয়র্কে চুক্তি

তার দাবি, ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহের সুযোগ না নিয়ে উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় যাওয়ায় টিকা সংগ্রহে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছিল। এর ফলে কয়েক বছরের ব্যবধান তৈরি হয় এবং দেশে হামের সংক্রমণ বেড়ে যায়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত এপ্রিল থেকে জরুরি ভিত্তিতে দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয় বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী জানান, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কর্মসূচিতে ২ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা গেলেও প্রথম পর্যায়ের হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির বাইরে ছিল প্রায় ৪০ লাখ শিশু। পরে বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে ঈদুল আজহার ছুটি পর্যন্ত আরও প্রায় ১৪ লাখ শিশুকে শনাক্ত করে টিকার আওতায় আনা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বিনিয়োগ টানতে প্রবাসীদের আহ্বান, ‘ব্রেইন ড্রেইন নয়, চাই রিভার্স ড্রেইন’

হামের সংক্রমণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ইউনিসেফ ১০ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত ৪০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করেছে বলেও জানান তিনি। আগের মজুতের সঙ্গে এসব টিকা মিলিয়ে নতুন করে ৩৪ লাখ শিশুকে লক্ষ্য করে ক্যাচআপ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ১০ লাখ সদ্যজাত শিশু এবং আগে টিকার বাইরে থাকা ২৪ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে কর্মসূচি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ছুটির দিন এবং সন্ধ্যার পরও টিকাদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গুলিস্তানে ড্রেনে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না আ.লীগ নেতা, আটক শতাধিক

হামে আক্রান্ত পুষ্টিহীন শিশুদের দ্রুত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি তৈরি হয় উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসা খাতের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, আইসিডিডিআরবির গবেষক ও চিকিৎসক ড. চিশতি মাত্র ১৫০ টাকা ব্যয়ে বোতলভিত্তিক সিপ্যাপ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যা গুরুতর অবস্থায় থাকা শিশুদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়েছে।

করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন সংকটে দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, চলমান টিকাদান কর্মসূচির পরও পর্যাপ্ত টিকা মজুত রয়েছে। ভবিষ্যতে মপআপ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য ৪৩ লাখ ডোজ টিকা ইতোমধ্যে বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে।