নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন ১৩ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতদের মধ্যে ট্রাকচালক আলমগীর হোসেন রয়েছেন। অন্য নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
যেভাবে ঘটল দুর্ঘটনা
নাটোর ফায়ার সার্ভিস ও বড়াইগ্রাম থানা সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের বরগুনা থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বড়াইগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনাগামী বালুবোঝাই ট্রাকটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে ঘটনাস্থলেই নয়জনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালসহ নাটোর ও রাজশাহীর বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে এক শিশু নাটোর সদর হাসপাতালে মারা যায়। এ ছাড়া অন্য হাসপাতালে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়ায়।
মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ, দীর্ঘ যানজট
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ চালান। দুর্ঘটনার পর নাটোর-পাবনা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্র এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তথ্যে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার কথা বলা হলেও শিরোনাম ও পরবর্তী বিবরণে আহতের সংখ্যা ২৫ উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















