জামায়াতে ইসলামী নেতাদের নিয়ে সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। তাঁর মন্তব্য, গাজী নজরুল ইসলাম ও আমির হামজারা জামায়াতের জন্য ‘অভিশাপ’ হয়ে এসেছেন।
রোববার (৮ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, আমির হামজার একটি অডিও কথোপকথন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কি না, সে বিষয়ে দ্য ডিসেন্ট ও রিউমার স্ক্যানারের মতো ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কি না। তিনি লেখেন, কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে সেটির সত্যতা যাচাই করে নেন।
এরপর জামায়াতের কয়েকজন নেতাকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, জামায়াতের মুখপাত্র নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি ও ল্যাপটপ চুরির ঘটনা, দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার বৈঠকের অভিযোগ এবং সংসদ সদস্য আমির হামজাকে ঘিরে ব্যক্তিগত বিষয়সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার পরই তিনি সেগুলো শেয়ার করেছেন।
রাশেদ খাঁনের দাবি, এসব তথ্যের কোনোটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেননি বা এসব তথ্যকে চ্যালেঞ্জও করেননি বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
জামায়াতের ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’ স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন লেখেন, দলটির নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচন করাই তাঁর উদ্দেশ্য। তাঁর ভাষ্য, বর্তমান জামায়াতে গাজী নজরুল ইসলাম ও আমির হামজার মতো ব্যক্তিদের আধিক্য দেখা যাচ্ছে।
পোস্টের শেষাংশে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এবং গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির তুলনা করেন। তাঁর অভিযোগ, অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে নারীঘটিতসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ ছিল, তাঁদের অনেকেই গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের পরিচয়ে সামনে এসেছেন। এ প্রসঙ্গেই তিনি গাজী নজরুল ইসলাম ও আমির হামজাকে জামায়াতের জন্য ‘অভিশাপ’ বলে মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁনের পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবেদকের নাম 

























