ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সৌদি প্রবাসী মোকাররম হত্যাকাণ্ডে পলাতক প্রধান অভিযুক্ত তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনাকে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় মোকাররমের মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২০ মে) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও মুগদা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে নরসিংদী থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ।
এর আগে একই ঘটনায় তাসলিমার সহযোগী হিসেবে হেলেনা বেগম ও তার কিশোরী মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন তাসলিমা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সৌদি আরবে থাকাকালে মোকাররমের সঙ্গে তাসলিমার পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দেশে ফেরার পর সম্পর্কের টানাপোড়েন, আর্থিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অভিযোগ রয়েছে, গত ১৩ মে দেশে ফিরে মোকাররম সরাসরি রাজধানীর মুগদা এলাকায় তাসলিমার বাসায় যান। পরদিন ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ বাথরুমে নিয়ে টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
পরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহের অংশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং পুরো ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 


























