ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গেলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী অস্ত্র-সংকটের তথ্য জানতেন না ট্রাম্প, হেগসেথের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় বোনের বিয়ের বাজার শেষে নিথর দেহে ফিরলেন ভাই দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব হাসপাতালে সার্কুলারের নির্দেশ হাইকোর্টের আলভারেজকে পেতে ১১৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে প্রস্তুত বার্সেলোনা! চাঁদপুরে মামলা পরিচালনাকালে আইনজীবীর মৃত্যু হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের, ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হলো কল রেকর্ড অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী, উপহার দিলেন হারমোনিয়াম বাদ দিতে হলো ইমরান হাশমির নতুন সিনেমার ৪ মিনিটের দৃশ্য
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com
শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা

ডেথ রেফারেন্সের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬,


রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) হাইকোর্টে পাঠানো হতে পারে। তবে এ জন্য মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বিচারকের স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

গত রোববার ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  চবির ৯ শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

রায় ঘোষণার পর সোমবার দুই আসামিকে কারাগারের কনডেম সেলে স্থানান্তর করা হয়েছে।

চার কার্যদিবসেই বিচার সম্পন্ন

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। পরদিন ২ জুন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তথ্যচিত্রে ভুল, দুঃখ প্রকাশ করল মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়

একই দিনে মামলার ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। এরপর ৩ জুন আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। মাত্র চার কার্যদিবসের মধ্যেই মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনা

ডেথ রেফারেন্স কী?

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, নিম্ন আদালত কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে সেই রায় কার্যকর হওয়ার আগে বাধ্যতামূলকভাবে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। এ প্রক্রিয়াকেই ‘ডেথ রেফারেন্স’ বলা হয়।

হাইকোর্ট রায়ের নথিপত্র পর্যালোচনা করে মৃত্যুদণ্ড বহাল, পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা

শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা

ডেথ রেফারেন্সের নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে

আপডেটের সময়: ১২:২৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬,


রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) হাইকোর্টে পাঠানো হতে পারে। তবে এ জন্য মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বিচারকের স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

গত রোববার ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  ‘শেষ সুযোগ’ দিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

রায় ঘোষণার পর সোমবার দুই আসামিকে কারাগারের কনডেম সেলে স্থানান্তর করা হয়েছে।

চার কার্যদিবসেই বিচার সম্পন্ন

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। পরদিন ২ জুন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনা

একই দিনে মামলার ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। এরপর ৩ জুন আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। মাত্র চার কার্যদিবসের মধ্যেই মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান: শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর বিশ্ব যা বলেছিল

ডেথ রেফারেন্স কী?

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, নিম্ন আদালত কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে সেই রায় কার্যকর হওয়ার আগে বাধ্যতামূলকভাবে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। এ প্রক্রিয়াকেই ‘ডেথ রেফারেন্স’ বলা হয়।

হাইকোর্ট রায়ের নথিপত্র পর্যালোচনা করে মৃত্যুদণ্ড বহাল, পরিবর্তন বা বাতিল করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।