কুষ্টিয়া, ১১ অক্টোবর ২০২৬: আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় ১৫ জন মেধাবী কন্যাশিশু শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘের কুষ্টিয়া জেলা শাখা। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে কুষ্টিয়া শহরের চাঁদ সুলতানা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির প্রতিটি শ্রেণি থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী মোট ১৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বসুন্ধরা শুভসংঘের পক্ষ থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে খাতা, কলম, পেন্সিল ও জ্যামিতি বক্স উপহার দেওয়া হয়।
বসুন্ধরা শুভসংঘ কুষ্টিয়া জেলা শাখার উপদেষ্টা ও দৈনিক কালের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক তারিকুল হক তারিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পরিচালিত সচেতন নাগরিক কমিটি, কুষ্টিয়ার সভাপতি আসমা আনসারী মিরু, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিনা আক্তার এবং শিক্ষক বশির আহমেদ।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ কুষ্টিয়া জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাকিল আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তা আখতারসহ সংগঠনটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
কন্যাশিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ
অনুষ্ঠানে আসমা আনসারী মিরু বলেন, কন্যাশিশুরা শুধু পরিবার বা সমাজের অংশ নয়, বরং ভবিষ্যৎ পৃথিবীর অন্যতম চালিকাশক্তি। আজকের কন্যাশিশুরাই আগামী দিনে শিক্ষক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা ও দেশের নেতৃত্বদানকারী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে বাল্যবিয়ে, পুষ্টিহীনতা, মানসম্মত শিক্ষার অভাব এবং নিরাপত্তাহীনতা কন্যাশিশুদের সম্ভাবনা বিকাশের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পরিবার ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আসমা আনসারী মিরু বলেন, একটি কন্যাশিশুকে পিছিয়ে রাখা মানে পুরো সমাজ ও দেশকে পিছিয়ে রাখা। তাই কন্যাশিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
উপহার পেয়ে শিক্ষার্থীদের কৃতজ্ঞতা
সংবর্ধনা ও শিক্ষা উপকরণ উপহার পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে এবং বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।
আয়োজকদের এ উদ্যোগ কন্যাশিশুদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করা, মেধার স্বীকৃতি দেওয়া এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবেদকের নাম 

























