ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
‘পরিবর্তনের পরও চাঁদাবাজের ভয় নিয়ে চলতে হয়, তাহলে সেই পরিবর্তনের অর্থ কী’ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, যা বললেন আসিফ মাহমুদ সরকারের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে ছাড় নয়: মাহদী আমিন এক পাত্রেই ১ হাজার ৮০৭ গ্যালন শিম, রান্না করে বিশ্বরেকর্ড তুরস্কের কুমিল্লায় সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনে আরা বকুল গ্রেফতার আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা জাজিরায় কেক কাটার আয়োজন, পুলিশ আসতেই ফাঁকা ঘটনাস্থল রাজধানীতে ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬ গুলিস্তানে ড্রেনে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না আ.লীগ নেতা, আটক শতাধিক ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলতে কখনো ভয় পাইনি: ফ্লোরেন্স পিউ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

কক্সবাজার নিয়ে বিপাকে সরকার, উন্নয়ন আটকে যাচ্ছে আইনি বাধায়: প্রতিমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:১৫:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ সময় দেখুন

আন্তর্জাতিক মানের পর্যটননগরী হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা থাকলেও আইনি বাধা ও আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে উন্নয়নকাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাঁর দাবি, বারবার আইনি জটিলতার কারণে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা আটকে যাচ্ছে।

শনিবার উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, কক্সবাজারকে আধুনিক ও সুন্দর পর্যটন নগরী হিসেবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  স্বর্ণের দামে কমল ১,৬৯১ টাকা, নতুন দাম কার্যকর

তিনি দাবি করেন, পর্যটন এলাকার উন্নয়নকাজে বাধা দিতে একটি সংস্থা আদালতের আশ্রয় নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে নিষেধাজ্ঞা আনছে। তাঁর প্রশ্ন, এভাবে একের পর এক আইনি বাধা এলে কক্সবাজার শহরের উন্নয়নকাজ কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী সৈকত তীর হয়ে হোটেল রামাদার সামনে দিয়ে সড়ক নির্মাণের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। প্রায় ১২৮ কোটি টাকা ব্যয়ের ওই প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে কাজ শুরুর আগে একটি পরিবেশবাদী সংস্থা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালতের নির্দেশনার পর প্রকল্পটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  আবারও রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বেলা’ নামের ওই পরিবেশবাদী সংগঠন সৈকতের পরিবেশ, বালিয়াড়ি এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা—ইসিএ রক্ষার বিষয় তুলে ধরে সড়ক নির্মাণের বিরোধিতা করে আদালতে যায়।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন বিধিনিষেধের বিষয়ও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সমুদ্রতীরের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণে বিধিনিষেধ রয়েছে। এতে পর্যটন মৌসুমে বিপুলসংখ্যক পর্যটক এলেও তাঁদের থাকার জন্য পর্যাপ্ত কক্ষের সংকট দেখা দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তাঁর মতে, কক্সবাজারের পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  আজ পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম

এদিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পও পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

কক্সবাজারের উন্নয়ন পরিকল্পনা, পর্যটন অবকাঠামো এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বয় কীভাবে করা হবে—এখন সেটিই সংশ্লিষ্টদের সামনে বড় প্রশ্ন।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘পরিবর্তনের পরও চাঁদাবাজের ভয় নিয়ে চলতে হয়, তাহলে সেই পরিবর্তনের অর্থ কী’

কক্সবাজার নিয়ে বিপাকে সরকার, উন্নয়ন আটকে যাচ্ছে আইনি বাধায়: প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ১০:১৫:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক মানের পর্যটননগরী হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা থাকলেও আইনি বাধা ও আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে উন্নয়নকাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাঁর দাবি, বারবার আইনি জটিলতার কারণে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা আটকে যাচ্ছে।

শনিবার উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

মীর শাহে আলম বলেন, কক্সবাজারকে আধুনিক ও সুন্দর পর্যটন নগরী হিসেবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুনঃ  আজ পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম

তিনি দাবি করেন, পর্যটন এলাকার উন্নয়নকাজে বাধা দিতে একটি সংস্থা আদালতের আশ্রয় নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে নিষেধাজ্ঞা আনছে। তাঁর প্রশ্ন, এভাবে একের পর এক আইনি বাধা এলে কক্সবাজার শহরের উন্নয়নকাজ কীভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী সৈকত তীর হয়ে হোটেল রামাদার সামনে দিয়ে সড়ক নির্মাণের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। প্রায় ১২৮ কোটি টাকা ব্যয়ের ওই প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে কাজ শুরুর আগে একটি পরিবেশবাদী সংস্থা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালতের নির্দেশনার পর প্রকল্পটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ  আবারও রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বেলা’ নামের ওই পরিবেশবাদী সংগঠন সৈকতের পরিবেশ, বালিয়াড়ি এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা—ইসিএ রক্ষার বিষয় তুলে ধরে সড়ক নির্মাণের বিরোধিতা করে আদালতে যায়।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন বিধিনিষেধের বিষয়ও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সমুদ্রতীরের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে স্থাপনা নির্মাণে বিধিনিষেধ রয়েছে। এতে পর্যটন মৌসুমে বিপুলসংখ্যক পর্যটক এলেও তাঁদের থাকার জন্য পর্যাপ্ত কক্ষের সংকট দেখা দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তাঁর মতে, কক্সবাজারের পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  সরকারি চাকরিতে পদোন্নতিতে বড় পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে যেসব বিধি

এদিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পও পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

কক্সবাজারের উন্নয়ন পরিকল্পনা, পর্যটন অবকাঠামো এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বয় কীভাবে করা হবে—এখন সেটিই সংশ্লিষ্টদের সামনে বড় প্রশ্ন।