
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ নামের একটি গরু উপহার দিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছিলেন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সোহাগ মৃধা। তবে এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন ভিন্ন এক কারণে। হত্যাচেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৪ জুন) মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আটক করে আদালতে হাজির করলে বিচারকের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগ মৃধা উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর ঝাটিবুনিয়া এলাকার মৃত বেলায়েত হোসেন মৃধার ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক একটি হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে পূর্বের একটি পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাও রয়েছে। এছাড়া পিসিপিআর যাচাইয়ে মারামারি, নারী ও শিশু নির্যাতন, চাঁদাবাজি, মাদক ও চুরিসহ একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ জুন পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তর ঝাটিবুনিয়া এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, একদল লোক বাদীর শ্বশুরবাড়িতে প্রবেশ করে শাহরিয়ার আহম্মেদকে টেনে বাইরে এনে মারধর করে। এ সময় সোহাগ মৃধা ধারালো দা দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করলে শাহরিয়ারের বাম চোখের ভ্রুর ওপর গুরুতর জখম হয়।
ভুক্তভোগীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে সারমিন সুলতানা ও মাহিনুর বেগমও হামলার শিকার হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাহিনুর বেগমের গলায় থাকা প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া এবং নারী সদস্যদের শ্লীলতাহানির অভিযোগও আনা হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলাগুলোর তদন্ত চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ নামের গরু উপহার দেওয়ার ঘোষণার পর স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনায় আসেন সোহাগ মৃধা। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো বর্তমানে বিচারাধীন এবং আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 

























