ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সিআইডি-ডিবি পরিচয়ে মামলার বাদীদের সঙ্গে প্রতারণা, মূলহোতা গ্রেপ্তার তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে গাইবান্ধায় সিপিবির বিক্ষোভ এটিইউ ও সিটিটিসির নাম বদলে নতুন কাঠামো মেদ কমাতে কার্বোহাইড্রেট বাদ নয়, বেছে খান যেসব খাবার আইফোন চুরির অভিযোগে যুবককে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধর, কেটে দেওয়া হলো চুল তানভীরের নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার, ‘ভিত্তিহীন’ বলল বগুড়া কারা কর্তৃপক্ষ অপ্রতিমকে নিয়ে ফেক আইডিতে অপপ্রচার, থানায় জিডি বাবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জাসদ কার্যালয় ঘিরে যুবদলের অবস্থান, অর্ধশতাধিককে হেফাজতে নিল পুলিশ ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপে জ্বালানি দামের নতুন সংকটের আশঙ্কা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

গাজার পথে আটকে ৯০০ হুইলচেয়ার, ইসরায়েলের অনুমতির অপেক্ষায়

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:০২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৫ সময় দেখুন

গাজায় অঙ্গহারা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দুটি দাতব্য সংস্থার পাঠানো ৯০০টির বেশি হুইলচেয়ার জর্ডানে আটকে আছে। ২০২৫ সাল থেকে এসব হুইলচেয়ার একটি গুদামে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

দাতব্য সংস্থা কিডস অন হুইলস অ্যালায়েন্স ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই চালানে হুইলচেয়ার জর্ডানে পাঠায়। একই বছরের অক্টোবরে আরও একটি চালান পাঠায় ‘হুইলচেয়ার্স ফর কিডস’।

বর্তমানে হুইলচেয়ারগুলো জর্ডান হাশেমাইট চ্যারিটি অর্গানাইজেশন (জেএইচসিও) পরিচালিত একটি গুদামে রয়েছে। জেএইচসিও জানিয়েছে, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়টি তদারককারী ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট এসব হুইলচেয়ার গাজায় পাঠানোর অনুমতি দেয়নি।

আরও পড়ুনঃ  পারমাণবিক সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা

কিডস অন হুইলস অ্যালায়েন্সের চেয়ারম্যান শাওকেট মোসেলমানের দাবি, হুইলচেয়ারগুলো আটকে রাখার কারণ হিসেবে কোনো নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কথা জানানো হয়নি। গাজায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এসব সরঞ্জাম পাঠানো হলেও কেন সেগুলো প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছে না, তারও কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

মোসেলমান বলেন, গাজার শিশুদের জন্য হুইলচেয়ার সংগ্রহে তারা ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে তহবিল সংগ্রহ করছেন। বিভিন্ন স্থানীয় সম্প্রদায়ের মানুষ এ উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। পাশাপাশি প্যালেস্টাইন অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন হুইলচেয়ারগুলো গাজায় পাঠানোর পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয়েও সহযোগিতা করেছে।

হুইলচেয়ারগুলো গাজায় পৌঁছে দিতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সদস্যদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরে চালানগুলো গাজায় পাঠানোর ব্যবস্থা করতে অস্ট্রেলীয় আইনপ্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুনঃ  জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

গত সপ্তাহে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে একটি কমিউনিটি বৈঠকও হয়েছে। সেখানে স্থানীয় ফেডারেল এমপি, অস্ট্রেলিয়া ও জর্ডান সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

মোসেলমানের দাবি, ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার কারণে গাজার ১১ হাজারের বেশি শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি বলেন, দীর্ঘ সংঘাতের কারণে অঙ্গহারা শিশুদের জন্য এসব হুইলচেয়ার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

মেলবোর্নভিত্তিক ফিলিস্তিনপন্থী কর্মী মোহাম্মদ হেলমিও হুইলচেয়ার প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত বলে দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজায় মানুষের জীবনযাপন আরও কঠিন করে তুলতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইউপি নির্বাচনে থাকছে যেসব প্রতীক

হেলমির দাবি, অস্ট্রেলিয়ার স্বেচ্ছাসেবীদের তৈরি ৯০০টির বেশি বিশেষায়িত হুইলচেয়ার ধ্বংস হয়ে যাওয়া রাস্তায় অঙ্গহারা শিশুদের চলাচলের কথা বিবেচনা করেই তৈরি করা হয়েছিল। এগুলো গাজায় আটকে রাখা মানবিক সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সংঘাত ও হামলার কারণে গাজায় শিশুদের অঙ্গহানির বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বিপুলসংখ্যক শিশু অঙ্গ হারিয়েছে এবং তাদের জন্য চিকিৎসা ও সহায়ক সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তাও বেড়েছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সিআইডি-ডিবি পরিচয়ে মামলার বাদীদের সঙ্গে প্রতারণা, মূলহোতা গ্রেপ্তার

গাজার পথে আটকে ৯০০ হুইলচেয়ার, ইসরায়েলের অনুমতির অপেক্ষায়

আপডেটের সময়: ০৬:০২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজায় অঙ্গহারা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দুটি দাতব্য সংস্থার পাঠানো ৯০০টির বেশি হুইলচেয়ার জর্ডানে আটকে আছে। ২০২৫ সাল থেকে এসব হুইলচেয়ার একটি গুদামে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

দাতব্য সংস্থা কিডস অন হুইলস অ্যালায়েন্স ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই চালানে হুইলচেয়ার জর্ডানে পাঠায়। একই বছরের অক্টোবরে আরও একটি চালান পাঠায় ‘হুইলচেয়ার্স ফর কিডস’।

বর্তমানে হুইলচেয়ারগুলো জর্ডান হাশেমাইট চ্যারিটি অর্গানাইজেশন (জেএইচসিও) পরিচালিত একটি গুদামে রয়েছে। জেএইচসিও জানিয়েছে, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের বিষয়টি তদারককারী ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট এসব হুইলচেয়ার গাজায় পাঠানোর অনুমতি দেয়নি।

আরও পড়ুনঃ  মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন চিফ হুইপ

কিডস অন হুইলস অ্যালায়েন্সের চেয়ারম্যান শাওকেট মোসেলমানের দাবি, হুইলচেয়ারগুলো আটকে রাখার কারণ হিসেবে কোনো নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কথা জানানো হয়নি। গাজায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এসব সরঞ্জাম পাঠানো হলেও কেন সেগুলো প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছে না, তারও কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

মোসেলমান বলেন, গাজার শিশুদের জন্য হুইলচেয়ার সংগ্রহে তারা ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে তহবিল সংগ্রহ করছেন। বিভিন্ন স্থানীয় সম্প্রদায়ের মানুষ এ উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। পাশাপাশি প্যালেস্টাইন অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন হুইলচেয়ারগুলো গাজায় পাঠানোর পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয়েও সহযোগিতা করেছে।

হুইলচেয়ারগুলো গাজায় পৌঁছে দিতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সদস্যদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরে চালানগুলো গাজায় পাঠানোর ব্যবস্থা করতে অস্ট্রেলীয় আইনপ্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুনঃ  জাসদ কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান, আ. লীগ নেতাকর্মী আটক

গত সপ্তাহে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে একটি কমিউনিটি বৈঠকও হয়েছে। সেখানে স্থানীয় ফেডারেল এমপি, অস্ট্রেলিয়া ও জর্ডান সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

মোসেলমানের দাবি, ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার কারণে গাজার ১১ হাজারের বেশি শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তিনি বলেন, দীর্ঘ সংঘাতের কারণে অঙ্গহারা শিশুদের জন্য এসব হুইলচেয়ার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

মেলবোর্নভিত্তিক ফিলিস্তিনপন্থী কর্মী মোহাম্মদ হেলমিও হুইলচেয়ার প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত বলে দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজায় মানুষের জীবনযাপন আরও কঠিন করে তুলতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ইউপি নির্বাচনে থাকছে যেসব প্রতীক

হেলমির দাবি, অস্ট্রেলিয়ার স্বেচ্ছাসেবীদের তৈরি ৯০০টির বেশি বিশেষায়িত হুইলচেয়ার ধ্বংস হয়ে যাওয়া রাস্তায় অঙ্গহারা শিশুদের চলাচলের কথা বিবেচনা করেই তৈরি করা হয়েছিল। এগুলো গাজায় আটকে রাখা মানবিক সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সংঘাত ও হামলার কারণে গাজায় শিশুদের অঙ্গহানির বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বিপুলসংখ্যক শিশু অঙ্গ হারিয়েছে এবং তাদের জন্য চিকিৎসা ও সহায়ক সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তাও বেড়েছে।