চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মাত্র ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে এক গৃহবধূ ও এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পৃথক দুটি ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পূর্ব বরইয়া এলাকা থেকে গৃহবধূ উম্মে হাবিবা (২২)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি সায়েদ ইমরানের স্ত্রী এবং এক কন্যাসন্তানের জননী ছিলেন।
পরিবারের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি ইঁদুর মারার বিষপান করেন। পরে স্বজনরা তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে আনোয়ারা সদর ইউনিয়নের ঘনপুকুরপাড় এলাকা থেকে জিকু সর্দ্দার (৩৫) নামে এক জেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জিকু সর্দ্দার ভট্টাচার্য নিবাস কলোনির একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার বিলপুর হাঁড়িপাড়া এলাকায়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্ত্রীর বোনের স্বামীর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
জিকুর স্ত্রী জানান, কয়েকদিন ধরে তার স্বামী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তিনি পরিবারকে জানিয়েছিলেন, তবে বিস্তারিত কিছু বলেননি।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, উভয় ঘটনারই তদন্ত চলছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















