চালুর কয়েক মাসের মধ্যেই বাধার মুখে পড়েছে ট্রেনে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার উদ্যোগ। চলতি বছরের মার্চে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের চারটি আন্তঃনগর ট্রেনে পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ চালু করা হয়। এসব ট্রেনে স্থাপন করা হয়েছিল স্টারলিংকের সরঞ্জাম।
তবে ছয় মাস না পেরোতেই চারটি ট্রেন থেকেই ওয়াই-ফাই রাউটার, স্টারলিংক অ্যান্টেনাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরির ঘটনা ঘটেছে। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, জনবল সংকটের কারণে এসব মূল্যবান সরঞ্জামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে যাতায়াতের সময় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের চাহিদাও বাড়ছে। বেসরকারি উদ্যোগে ইতোমধ্যে বিভিন্ন বাস ও লঞ্চে ইন্টারনেট সেবা চালু হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ট্রেনেও পরীক্ষামূলকভাবে এ সুবিধা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
কিন্তু সেবা চালুর কয়েক মাসের মধ্যেই একের পর এক সরঞ্জাম চুরির ঘটনায় উদ্যোগটি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চারটি ট্রেনেই ইন্টারনেট সংযোগের জন্য স্থাপন করা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি চুরি হয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান বলেন, জনবল সংকটের কারণে রেলের অনেক মূল্যবান সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তিনি সরঞ্জাম চুরির ঘটনাকে দুরভিসন্ধিমূলক বলেও মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান বলেন, ট্রেনে ইন্টারনেট সেবা চালুর পরীক্ষামূলক উদ্যোগ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মূল প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্রেন থেকে ইন্টারনেট সরঞ্জাম চুরি ঠেকাতে কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি প্রয়োজন কার্যকর নিরাপত্তা পরিকল্পনা। নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি যাত্রীদের মধ্যেও সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
প্রতিবেদকের নাম 





















