বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সরকার দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। এর একটি ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য, অন্যটি বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জয়সওয়াল।
তিনি বলেন, প্রথমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পরে বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্যও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অর্থাৎ, দুটি ভিন্ন আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল।
এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে এএনআইকে জানিয়েছিলেন, দুই দেশের আলোচনার মাধ্যমে সফরের সময় নির্ধারণ করা হবে। উভয় পক্ষ উপযুক্ত সময় ও পরিবেশে একমত হলে সফরটি অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কার্যকর ও ধারাবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সম্পর্ক পুনর্গঠনে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশ বর্তমানে পালাক্রমে বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। ২০২৭ সালের কোনো এক সময়ে ঢাকায় বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া আমন্ত্রণটি তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন বক্তব্যে সেই আমন্ত্রণের পাশাপাশি পৃথক দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















