ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এমপিদের বেতন ৫ লাখ, মন্ত্রীদের ১০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরুল হক নুরের রাষ্ট্রপতি পদে ড. ইউনূসকে কোনো প্রস্তাব নয়, আলোচনায় মির্জা ফখরুল: প্রতিবেদন মুরগি, ডিম ও দুধের দাম আবারও বেড়েছে, কমেছে কাঁচামরিচ; কিছুটা স্বস্তিতে সবজির বাজার ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে ঘিরে চাপ বাড়ছে, পাশে আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো ‘এক দফা’ আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেক্ষাপট নিয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন রাশেদ খাঁন হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা, আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়ল অপরিশোধিত তেলের দা বিদেশফেরত শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরিয়ে উন্নয়নে কাজে লাগাতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা: শিশুসহ নিহত ৯, দায় বেপরোয়া গতি ও ওভারটেকিং বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: নিহত ৭, আহত অন্তত ২৩ ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে ডে-কেয়ার সেন্টারের বিকল্প নেই: ডা. জুবাইদা রহমান

প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র (ডে-কেয়ার সেন্টার) শুধু শিশুদের নিরাপদে রাখার স্থান নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

তিনি বলেন, মানসম্মত দিবাযত্ন কেন্দ্রের অভাবে কর্মজীবী মা ও তাদের সন্তানদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘শিশুর প্রাথমিক পরিচর্যা ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), সকাল ১১টায় ভূমি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং সাড়ে ১১টায় পানি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ  প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ দশমিক ৫৮ শতাংশ নারী এবং ২৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ মানুষের বয়স শূন্য থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।

কর্মজীবী মায়েদের জন্য দিবাযত্ন কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি নিজের স্কুলজীবনের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এবং শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো অনেক কর্মজীবী মা সন্তান লালন-পালন নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। বর্তমানে ১২৩টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রে ৭ হাজার ৩৬০ জন শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের মোট শিশুর মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশের চাহিদা পূরণ করছে।

তিনি বলেন, এর ফলে অনেক শিশু প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম, সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা এবং সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, মানসম্মত ও সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং শৈশবকালীন বিকাশ শিশুদের জ্ঞানীয় ও সামাজিক বিকাশের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

আরও পড়ুনঃ  বাদ দিতে হলো ইমরান হাশমির নতুন সিনেমার ৪ মিনিটের দৃশ্য

দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের মানবিক ও কঠিন দায়িত্ব পালনের কারণে অসংখ্য কর্মজীবী মা নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন এবং শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়।

তিনি বলেন, শৈশবই মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়েই সততা, নিষ্ঠা, শান্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা, কৌতূহল, অধ্যবসায় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তি গড়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীরা একদিকে যেমন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভিত্তি নির্মাণে ভূমিকা রাখছেন, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক নারীর কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগও সৃষ্টি করছেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি তার বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, তার শাসনামলে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দিবাযত্ন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই। নিরাপদ পরিবেশে শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে তারাই দেশ গঠনের প্রধান শক্তিতে পরিণত হবে।

আরও পড়ুনঃ  মার্তিনেজকে দলে নিতে চেয়েও পারেনি জুভেন্টাস

সভাপতির বক্তব্যে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দিবাযত্ন কেন্দ্র শুধু কর্মজীবী মায়ের জন্য নয়, বরং প্রতিটি কর্মজীবী পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ছয় মাস থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

তিনি বলেন, একদিনে ১০০টি দিবাযত্ন কেন্দ্র চালু করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রশিক্ষিত জনবল এবং মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই এ কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত করা সম্ভব হবে।

ডা. জাহিদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে মাত্র ছয়টি দিবাযত্ন কেন্দ্র দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। বর্তমানে সেই উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পেশাদারিত্বের কারণে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যিনি ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন, তা প্রমাণ করে যে ক্ষমতা নয়, দায়িত্ববোধই মুখ্য।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

এমপিদের বেতন ৫ লাখ, মন্ত্রীদের ১০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরুল হক নুরের

দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে ডে-কেয়ার সেন্টারের বিকল্প নেই: ডা. জুবাইদা রহমান

আপডেটের সময়: ০৭:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র (ডে-কেয়ার সেন্টার) শুধু শিশুদের নিরাপদে রাখার স্থান নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

তিনি বলেন, মানসম্মত দিবাযত্ন কেন্দ্রের অভাবে কর্মজীবী মা ও তাদের সন্তানদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘শিশুর প্রাথমিক পরিচর্যা ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), সকাল ১১টায় ভূমি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং সাড়ে ১১টায় পানি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুনঃ  মার্তিনেজকে দলে নিতে চেয়েও পারেনি জুভেন্টাস

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ দশমিক ৫৮ শতাংশ নারী এবং ২৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ মানুষের বয়স শূন্য থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।

কর্মজীবী মায়েদের জন্য দিবাযত্ন কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি নিজের স্কুলজীবনের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এবং শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো অনেক কর্মজীবী মা সন্তান লালন-পালন নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। বর্তমানে ১২৩টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রে ৭ হাজার ৩৬০ জন শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের মোট শিশুর মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশের চাহিদা পূরণ করছে।

তিনি বলেন, এর ফলে অনেক শিশু প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম, সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা এবং সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, মানসম্মত ও সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং শৈশবকালীন বিকাশ শিশুদের জ্ঞানীয় ও সামাজিক বিকাশের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

আরও পড়ুনঃ  ‘শিয়ালের হাতে মুরগি তুলে দেওয়ার মতো ভুল করেছি’— রেজাউল করীম

দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের মানবিক ও কঠিন দায়িত্ব পালনের কারণে অসংখ্য কর্মজীবী মা নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন এবং শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়।

তিনি বলেন, শৈশবই মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়েই সততা, নিষ্ঠা, শান্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা, কৌতূহল, অধ্যবসায় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তি গড়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীরা একদিকে যেমন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভিত্তি নির্মাণে ভূমিকা রাখছেন, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক নারীর কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগও সৃষ্টি করছেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি তার বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, তার শাসনামলে তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দিবাযত্ন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই। নিরাপদ পরিবেশে শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে তারাই দেশ গঠনের প্রধান শক্তিতে পরিণত হবে।

আরও পড়ুনঃ  ‘ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে পুলিশ থাকবে কঠোর’ — খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি

সভাপতির বক্তব্যে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দিবাযত্ন কেন্দ্র শুধু কর্মজীবী মায়ের জন্য নয়, বরং প্রতিটি কর্মজীবী পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ছয় মাস থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

তিনি বলেন, একদিনে ১০০টি দিবাযত্ন কেন্দ্র চালু করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রশিক্ষিত জনবল এবং মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অল্প সময়ের মধ্যেই এ কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত করা সম্ভব হবে।

ডা. জাহিদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে মাত্র ছয়টি দিবাযত্ন কেন্দ্র দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। বর্তমানে সেই উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পেশাদারিত্বের কারণে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যিনি ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন, তা প্রমাণ করে যে ক্ষমতা নয়, দায়িত্ববোধই মুখ্য।