ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ নিয়ে সমঝোতার আভাস, তবে ট্রাম্পের জন্য সুখবর নয় উগান্ডা-পাকিস্তানের পাঁচ খেলোয়াড় ‘নিখোঁজ’ কমনওয়েলথ গেমসের পর ঝিনাইদহে বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যেভাবে প্রবেশ করবেন জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে পদত্যাগের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কিমের ‘১২০ ক্ষেপণাস্ত্র’ পুতিনের হাতে, ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের আশঙ্কা কক্সবাজারে ভারী বর্ষণে পাহাড়ধস, মেরিন ড্রাইভে যান চলাচলে বিঘ্ন শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারতের অবস্থান ‘দ্বিমুখী’ বলে মন্তব্য রিজভীর ফরিদপুরে রেলস্টেশন থেকে নিখোঁজ শিশু, এক বছর ধরেও সন্তানের অপেক্ষায় মা ‘শিয়ালের হাতে মুরগি তুলে দেওয়ার মতো ভুল করেছি’— রেজাউল করীম
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: কী সুবিধা, কিনবেন যেভাবে

নিরাপদ বিনিয়োগ এবং নির্ধারিত হারে মুনাফা পাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ১৯৭৭ সালে এই সঞ্চয়পত্র চালু করে। বর্তমানে নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী এতে বিনিয়োগ করলে বার্ষিক ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগের অর্থের পাশাপাশি অর্জিত মুনাফাও উত্তোলন করা যায়।

আরও পড়ুনঃ  দেশে ৫ লাখের বেশি সরকারি পদ শূন্য, বেকারত্ব কমাতে দ্রুত নিয়োগের দাবি

কারা কিনতে পারবেন?

সব শ্রেণি-পেশার বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন।

এ ছাড়া আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ (অংশ-২)-এর বিধি ৪৯-এর উপবিধি (২)-এ সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত ভবিষ্যৎ তহবিলও এ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তিন নির্দেশনা

সঞ্চয়পত্র কিনতে সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

কোথা থেকে কিনবেন?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়—

  • জেলা সঞ্চয় অফিস
  • জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা
  • তফসিলি ব্যাংক
  • ডাকঘর

কী কী সুবিধা পাবেন?

  • সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় এটি তুলনামূলক নিরাপদ।
  • বার্ষিক নির্ধারিত হারে আকর্ষণীয় মুনাফা পাওয়া যায়।
  • দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তুলতে কার্যকর।
  • বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে।
  • সঞ্চয়পত্রে নমিনি মনোনয়নের সুবিধা রয়েছে।
  • সঞ্চয়পত্রধারীর মৃত্যুর পর নমিনি তাৎক্ষণিকভাবে অথবা মেয়াদ শেষে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ  শেখ হাসিনার সঙ্গে একই ভার্চুয়াল মঞ্চে থাকতে পারেন সাকিব আল হাসান

নিরাপদ বিনিয়োগ, নিশ্চিত মুনাফা এবং সরকারি নিশ্চয়তার কারণে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এখনও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় সঞ্চয়মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ নিয়ে সমঝোতার আভাস, তবে ট্রাম্পের জন্য সুখবর নয়

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র: কী সুবিধা, কিনবেন যেভাবে

আপডেটের সময়: ০৫:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

নিরাপদ বিনিয়োগ এবং নির্ধারিত হারে মুনাফা পাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো বাংলাদেশ সরকারের পরিচালিত সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ১৯৭৭ সালে এই সঞ্চয়পত্র চালু করে। বর্তমানে নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী এতে বিনিয়োগ করলে বার্ষিক ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। মেয়াদ শেষে মূল বিনিয়োগের অর্থের পাশাপাশি অর্জিত মুনাফাও উত্তোলন করা যায়।

আরও পড়ুনঃ  ‘আসিফ-আখতারদের মেস ভাড়া তুলতে মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করতাম’—রাশেদ খাঁন

কারা কিনতে পারবেন?

সব শ্রেণি-পেশার বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন।

এ ছাড়া আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ (অংশ-২)-এর বিধি ৪৯-এর উপবিধি (২)-এ সংজ্ঞায়িত স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ অনুযায়ী পরিচালিত ভবিষ্যৎ তহবিলও এ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ  বিদেশি সংবাদমাধ্যমের ওপর নতুন বিধিনিষেধ, সমালোচনার মুখে পাকিস্তান

সঞ্চয়পত্র কিনতে সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি ব্যাংক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

কোথা থেকে কিনবেন?

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়—

  • জেলা সঞ্চয় অফিস
  • জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা
  • তফসিলি ব্যাংক
  • ডাকঘর

কী কী সুবিধা পাবেন?

  • সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় এটি তুলনামূলক নিরাপদ।
  • বার্ষিক নির্ধারিত হারে আকর্ষণীয় মুনাফা পাওয়া যায়।
  • দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় গড়ে তুলতে কার্যকর।
  • বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে।
  • সঞ্চয়পত্রে নমিনি মনোনয়নের সুবিধা রয়েছে।
  • সঞ্চয়পত্রধারীর মৃত্যুর পর নমিনি তাৎক্ষণিকভাবে অথবা মেয়াদ শেষে সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ  টানা ব্যর্থতার প্রভাব, ফুটবল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ব্রাজিলের মানুষ

নিরাপদ বিনিয়োগ, নিশ্চিত মুনাফা এবং সরকারি নিশ্চয়তার কারণে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এখনও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় সঞ্চয়মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত।