ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এশিয়ান গেমসে ভারত-পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের হাতছানি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ একাধিক প্রার্থী অস্তিত্বহীন শিশুপার্ক-অডিটোরিয়াম, এডিপির ১২ কোটি টাকা গেল কোথায়? ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, ধোঁয়ায় আতঙ্কে পদদলিত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু এমআরটি-৫: চলমান মেট্রোরেলের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ব্যয়, ঋণ ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি তিতাসে দেশের সবচেয়ে গভীর গ্যাসকূপ, মিলতে পারে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস তিন মাসে ব্যাংক খাতে কোটিপতি হিসাব বেড়েছে ৫ হাজার ৭৭ এক ক্লিকেই ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে ম্যালওয়্যার, সতর্কবার্তা গবেষকদের ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৮ দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি কবে থেকে, কত দিন?
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ভারতে স্কুলে তিন ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক, জুলাই থেকেই নতুন নিয়ম

ভারতের স্কুলশিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড। আগামী জুলাই মাস থেকে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে Central Board of Secondary Education (সিবিএসই)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ধাপে ধাপে এই নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। এটি মূলত Government of India ঘোষিত National Education Policy 2020-এর অংশ হিসেবে চালু হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে ইমরান খানের সাবেক স্ত্রী জেমিমা

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষার পাশাপাশি আরও দুটি ভাষা অধ্যয়ন করতে হবে। শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে এই পাঠক্রম পুরোপুরি কার্যকর হবে।

নতুন ভাষানীতিতে পাঠ্যক্রমকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে— আর-১ (R-1), আর-২ (R-2) এবং আর-৩ (R-3)। প্রথম দুটি বিভাগে শিক্ষার্থীদের দুটি ভিন্ন ভারতীয় ভাষা পড়তে হবে। সেখানে বাংলা, তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম কিংবা গুজরাতির মতো আঞ্চলিক ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  দাড়ি রাখা নিয়ে কলকাতা পুলিশের ৪৭ মুসলিম সদস্যের আবেদন খারিজ

অন্যদিকে আর-৩ বিভাগে শিক্ষার্থীরা বিদেশি ভাষা শিখতে পারবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কেউ যদি প্রথম দুটি বিভাগে দুটি ভারতীয় ভাষা নির্বাচন করে, তাহলে অতিরিক্তভাবে ইংরেজিসহ আরেকটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ পাবে। সেক্ষেত্রে সেটি “চতুর্থ ভাষা” হিসেবে বিবেচিত হবে।

আরও পড়ুনঃ  ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ জাহাজের ১০২ যাত্রী উদ্ধার, চলছে বাকিদের সন্ধান

এই শিক্ষানীতির সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো— ইংরেজিকে ভারতীয় ভাষার তালিকায় না রেখে বিদেশি ভাষা হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে ভারতের আঞ্চলিক ভাষাগুলোর ব্যবহার ও চর্চা আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সক্ষমতাও বাড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যজ্ঞানেই নয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রেও বাড়তি সুবিধা পাবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

এশিয়ান গেমসে ভারত-পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের হাতছানি বাংলাদেশের

ভারতে স্কুলে তিন ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক, জুলাই থেকেই নতুন নিয়ম

আপডেটের সময়: ০৬:৩৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

ভারতের স্কুলশিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড। আগামী জুলাই মাস থেকে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে Central Board of Secondary Education (সিবিএসই)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ধাপে ধাপে এই নীতি বাস্তবায়ন করা হবে। এটি মূলত Government of India ঘোষিত National Education Policy 2020-এর অংশ হিসেবে চালু হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ জাহাজের ১০২ যাত্রী উদ্ধার, চলছে বাকিদের সন্ধান

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষার পাশাপাশি আরও দুটি ভাষা অধ্যয়ন করতে হবে। শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, আগামী ১ জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে এই পাঠক্রম পুরোপুরি কার্যকর হবে।

নতুন ভাষানীতিতে পাঠ্যক্রমকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে— আর-১ (R-1), আর-২ (R-2) এবং আর-৩ (R-3)। প্রথম দুটি বিভাগে শিক্ষার্থীদের দুটি ভিন্ন ভারতীয় ভাষা পড়তে হবে। সেখানে বাংলা, তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম কিংবা গুজরাতির মতো আঞ্চলিক ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

আরও পড়ুনঃ  বরিস জনসনের ট্রেন সীমান্ত পার হতেই রুশ ড্রোন হামলা, অল্পের জন্য রক্ষা

অন্যদিকে আর-৩ বিভাগে শিক্ষার্থীরা বিদেশি ভাষা শিখতে পারবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কেউ যদি প্রথম দুটি বিভাগে দুটি ভারতীয় ভাষা নির্বাচন করে, তাহলে অতিরিক্তভাবে ইংরেজিসহ আরেকটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ পাবে। সেক্ষেত্রে সেটি “চতুর্থ ভাষা” হিসেবে বিবেচিত হবে।

আরও পড়ুনঃ  ড্রোন হামলার পর সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উদ্বেগ

এই শিক্ষানীতির সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো— ইংরেজিকে ভারতীয় ভাষার তালিকায় না রেখে বিদেশি ভাষা হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে ভারতের আঞ্চলিক ভাষাগুলোর ব্যবহার ও চর্চা আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সক্ষমতাও বাড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যজ্ঞানেই নয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ভাষাগত দক্ষতার ক্ষেত্রেও বাড়তি সুবিধা পাবে।