ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা স্ত্রীকে ঘরে তোলার স্বপ্ন ছিল, ফিরছেন লাশ হয়ে: নাটোরের সাব্বির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুইডিশ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আগামীকাল বন্ধ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাহান্নামের দরজা ‘দারবাজা গ্যাস কূপ’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কার্যকর থাকবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ: চিফ হুইপ নেপালের পাহাড়ে শুরু হলো অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’ চাকরি ছাড়ার ঘোষণা, তবু তলব এয়ার ইন্ডিয়ার বিদায়ী সিইওকে গাজা যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের প্রস্তাব নাকচ, নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তে বাড়ছে টানাপোড়েন
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

স্ট্রেচারে আদালতে আত্মসমর্পণ, অসুস্থ আসামিকে চিকিৎসার পরামর্শ বিচারকের

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪ সময় দেখুন

চার কোটি টাকার আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে মাগুরা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার আদালতে এসেছেন ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) সাবেক ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার রুহুল আমিন পলাশ। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তাকে স্ট্রেচারে করে এজলাসে তোলা হয়।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তিনি। তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বিচারক চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আসামির আইনজীবী মো. রমজান আলী (রিপন)।

মামলার নথি অনুযায়ী, ফারমার্স ব্যাংকের জামালপুরের বকশীগঞ্জ শাখা থেকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে চার কোটি তিন লাখ ৪১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক সহিদুর রহমান সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা করেন।

আরও পড়ুনঃ  বোনকে ‘বিধবা’, ছেলে-ভাতিজাকে ‘প্রতিবন্ধী’ সাজিয়ে মেম্বারের পরিবারে ৫ ভাতা

মামলায় ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী, তার মেয়ে রিমি চিশতী, সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার ফখরুজ্জামান, সাবেক ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার রুহুল আমিন পলাশ ও কামরুজ্জামানকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে ওই পাঁচজনের পাশাপাশি ব্যাংকের বকশীগঞ্জ শাখার সাবেক প্রধান ও ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুদুর রহমান খানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।

এরপর গত ১৫ জানুয়ারি আদালত অভিযোগপত্র আমলে নেন। একইসঙ্গে পলাতক থাকায় মাসুদুর রহমান খান, ফখরুজ্জামান, রুহুল আমিন পলাশ ও কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার আরেক আসামি বাবুল চিশতী কারাগারে রয়েছেন এবং রিমি চিশতী জামিনে আছেন।

আরও পড়ুনঃ  বাগেরহাট হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, দগ্ধ চালক; পুড়ল ৮ মোটরসাইকেল

পরোয়ানা জারির পর মঙ্গলবার সকালে মাগুরা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আদালতে আসেন রুহুল আমিন পলাশ। তার সঙ্গে ছিলেন বাবা রেজাউল করিম ও স্ত্রী। পরে স্ট্রেচারে করে তাকে আদালতের এজলাসে নেওয়া হয়।

জামিন শুনানিতে আইনজীবী মো. রমজান আলী (রিপন) দাবি করেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে জুনিয়র কর্মকর্তারা অনেক সময় দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হন। তার মক্কেল কোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন এবং অর্থ আত্মসাৎ বা জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো অর্থ গ্রহণ বা ভোগ করেননি।

আইনজীবী আরও জানান, রুহুল আমিন পলাশ দীর্ঘদিন ধরে স্নায়ুজনিত জটিলতায় ভুগছেন। তার শরীরের কোমর থেকে নিচের অংশ অবশ হয়ে গেছে এবং তিনি সম্পূর্ণভাবে শয্যাশায়ী। দৈনন্দিন কাজও অন্যের সহায়তা ছাড়া করতে পারেন না।

আরও পড়ুনঃ  অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

এ অবস্থায় মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে জামিন দেওয়ার আবেদন করেন আইনজীবী।

শুনানি শেষে বিচারক আসামির শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিচারক বলেছেন, আসামি যেহেতু গুরুতর অসুস্থ এবং অন্যের সহায়তা ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না, তাই তার চিকিৎসা চলতে পারে। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি আবার আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন।

পরে দুপুরের পর অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন রুহুল আমিন পলাশ।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী এখনও চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ

স্ট্রেচারে আদালতে আত্মসমর্পণ, অসুস্থ আসামিকে চিকিৎসার পরামর্শ বিচারকের

আপডেটের সময়: ০৪:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

চার কোটি টাকার আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে মাগুরা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার আদালতে এসেছেন ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) সাবেক ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার রুহুল আমিন পলাশ। শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তাকে স্ট্রেচারে করে এজলাসে তোলা হয়।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তিনি। তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বিচারক চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আসামির আইনজীবী মো. রমজান আলী (রিপন)।

মামলার নথি অনুযায়ী, ফারমার্স ব্যাংকের জামালপুরের বকশীগঞ্জ শাখা থেকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে চার কোটি তিন লাখ ৪১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক সহিদুর রহমান সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা করেন।

আরও পড়ুনঃ  আলমারি খুলতেই কৃষকের চোখে পানি, ইঁদুর-উইপোকায় নষ্ট ২ লাখ টাকা

মামলায় ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী, তার মেয়ে রিমি চিশতী, সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার ফখরুজ্জামান, সাবেক ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার রুহুল আমিন পলাশ ও কামরুজ্জামানকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে ওই পাঁচজনের পাশাপাশি ব্যাংকের বকশীগঞ্জ শাখার সাবেক প্রধান ও ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুদুর রহমান খানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।

এরপর গত ১৫ জানুয়ারি আদালত অভিযোগপত্র আমলে নেন। একইসঙ্গে পলাতক থাকায় মাসুদুর রহমান খান, ফখরুজ্জামান, রুহুল আমিন পলাশ ও কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার আরেক আসামি বাবুল চিশতী কারাগারে রয়েছেন এবং রিমি চিশতী জামিনে আছেন।

আরও পড়ুনঃ  শিক্ষক নিয়োগের রেজল্যুশন বাতিলের দাবি, ২৫ আগস্টের পর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

পরোয়ানা জারির পর মঙ্গলবার সকালে মাগুরা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আদালতে আসেন রুহুল আমিন পলাশ। তার সঙ্গে ছিলেন বাবা রেজাউল করিম ও স্ত্রী। পরে স্ট্রেচারে করে তাকে আদালতের এজলাসে নেওয়া হয়।

জামিন শুনানিতে আইনজীবী মো. রমজান আলী (রিপন) দাবি করেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে জুনিয়র কর্মকর্তারা অনেক সময় দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হন। তার মক্কেল কোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন এবং অর্থ আত্মসাৎ বা জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো অর্থ গ্রহণ বা ভোগ করেননি।

আইনজীবী আরও জানান, রুহুল আমিন পলাশ দীর্ঘদিন ধরে স্নায়ুজনিত জটিলতায় ভুগছেন। তার শরীরের কোমর থেকে নিচের অংশ অবশ হয়ে গেছে এবং তিনি সম্পূর্ণভাবে শয্যাশায়ী। দৈনন্দিন কাজও অন্যের সহায়তা ছাড়া করতে পারেন না।

আরও পড়ুনঃ  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সুইডিশ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

এ অবস্থায় মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে জামিন দেওয়ার আবেদন করেন আইনজীবী।

শুনানি শেষে বিচারক আসামির শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিচারক বলেছেন, আসামি যেহেতু গুরুতর অসুস্থ এবং অন্যের সহায়তা ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না, তাই তার চিকিৎসা চলতে পারে। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি আবার আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন।

পরে দুপুরের পর অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন রুহুল আমিন পলাশ।