গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগের পর তিন সদস্যের একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম কামরুল ইসলামের নজরে আসে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশীদকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ডা. রেজওয়ানা রশীদের নির্দেশনায় তিন সদস্যের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. জিসেলী ঘোষ মুনমুন। সদস্য সচিব করা হয়েছে কালীগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. মুন্নুর আহমেদকে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক এটিএম কামরুজ্জামান কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশীদ। এর আগে সকালে তার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কমিটি গঠনের তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, কমিটিকে নির্মাণকাজের গুণগত মান, অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পরিস্থিতি সরেজমিনে মূল্যায়ন করতে হবে। পাশাপাশি কাজ নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করে সম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
কমিটির সদস্য সচিব মো. মুন্নুর আহমেদ বলেন, নির্মাণকাজের প্রতিটি বিষয় কারিগরি দৃষ্টিকোণ থেকে যাচাই করা হবে। ব্যবহৃত উপকরণ, কাজের মান ও বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনা করে নিরপেক্ষ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
কমিটির সভাপতি ডা. জিসেলী ঘোষ মুনমুন বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা হবে।
ইউএনও এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজ বরদাশত করা হবে না। মনিটরিং কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিবেদকের নাম 

























