ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বিগত ফ্যাসিবাদের দেখানো পথেই হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির ‘জামিনে মুক্ত’ বেনজীরকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ইটবোঝাই বাল্কহেডের ওপর ভেঙে পড়ল বেইলি সেতু ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু সামগ্রিকভাবে সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার: আসিফ মাহমুদ ‘দ্য ওডিসি’র দাপট: ৩০ মিনিটেই শেষ বিএফআই আইম্যাক্সের সব টিকিট যশোরে অস্ত্র-পোশাকসহ তিন ভুয়া বিজিবি সদস্য গ্রেপ্তার পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফিফা কাউন্সিলে বিদ্রোহের মুখে ইনফান্তিনো, সভাপতি পদ নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা যোগদান ও পদায়নের তারিখ ঘোষণার পর শাহবাগ ছাড়লেন প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ইমাম বুখারি (রহ.): বুখারার এতিম বালক থেকে বিশ্বজয়ী হাদিস সম্রাট

 

 

উজবেকিস্তানের বুখারা শহরে ১৯৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন ইমাম বুখারি। শৈশবেই পিতৃহারা হন এবং ছোটবেলায় দৃষ্টিশক্তি হারালেও মায়ের দোয়ার বরকতে পুনরায় দৃষ্টিশক্তি ফিরে পান—এমন একটি ঐতিহ্যবাহী বর্ণনা মুসলিম ইতিহাসে প্রচলিত রয়েছে।

অসাধারণ স্মৃতিশক্তির অধিকারী ইমাম বুখারি (রহ.) এক লাখ সহিহ ও দুই লাখ অ-সহিহ হাদিস মুখস্থ জানতেন বলে উল্লেখ করা হয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি জ্ঞানার্জনের জন্য মক্কা, মদিনা, বাগদাদ, মিশর, সিরিয়া ও নিশাপুরসহ বিভিন্ন জ্ঞানকেন্দ্র ভ্রমণ করেন।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

দীর্ঘ ১৬ বছরের পরিশ্রমে প্রায় ছয় লাখ হাদিস থেকে কঠোর যাচাই-বাছাই করে তিনি সংকলন করেন সহিহ আল-বুখারি। পুনরাবৃত্তিসহ এতে ৭,২৭৫টি হাদিস স্থান পায়। মুসলিম বিশ্বে পবিত্র আল-কুরআন-এর পর এই গ্রন্থকে সর্বাধিক বিশুদ্ধ গ্রন্থ হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

হাদিস গ্রহণে তিনি দুটি মৌলিক শর্ত অনুসরণ করতেন:

  • বর্ণনাকারী ও তার শিক্ষকের মধ্যে বাস্তব সাক্ষাতের প্রমাণ থাকতে হবে।
  • বর্ণনাকারীকে বিশ্বস্ত, স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন, ন্যায়পরায়ণ ও খোদাভীরু হতে হবে।

জীবনের শেষ পর্যায়ে সমসাময়িক কিছু আলেমের বিরোধিতা এবং শাসকের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে তিনি জন্মভূমি বুখারা ত্যাগ করতে বাধ্য হন। শেষ পর্যন্ত সমরখন্দের নিকটবর্তী খরতঙ্ক গ্রামে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই ইন্তেকাল করেন।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

প্রতিবেদনটিতে তার ইন্তেকালের পর কবর থেকে সুগন্ধ ছড়ানোর মতো কিছু ঐতিহ্যগত বর্ণনাও উল্লেখ করা হয়েছে। এসব বর্ণনা ধর্মীয় ঐতিহ্য ও জীবনীগ্রন্থে প্রচলিত থাকলেও সেগুলো ঐতিহাসিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন।

আজও ইমাম বুখারি এবং তার সংকলিত সহিহ আল-বুখারি মুসলিম উম্মাহর কাছে হাদিসশাস্ত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক প্রভাবশালী গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিগত ফ্যাসিবাদের দেখানো পথেই হাঁটছে সরকার: জামায়াত আমির

ইমাম বুখারি (রহ.): বুখারার এতিম বালক থেকে বিশ্বজয়ী হাদিস সম্রাট

আপডেটের সময়: ০৬:০১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

 

 

উজবেকিস্তানের বুখারা শহরে ১৯৪ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন ইমাম বুখারি। শৈশবেই পিতৃহারা হন এবং ছোটবেলায় দৃষ্টিশক্তি হারালেও মায়ের দোয়ার বরকতে পুনরায় দৃষ্টিশক্তি ফিরে পান—এমন একটি ঐতিহ্যবাহী বর্ণনা মুসলিম ইতিহাসে প্রচলিত রয়েছে।

অসাধারণ স্মৃতিশক্তির অধিকারী ইমাম বুখারি (রহ.) এক লাখ সহিহ ও দুই লাখ অ-সহিহ হাদিস মুখস্থ জানতেন বলে উল্লেখ করা হয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি জ্ঞানার্জনের জন্য মক্কা, মদিনা, বাগদাদ, মিশর, সিরিয়া ও নিশাপুরসহ বিভিন্ন জ্ঞানকেন্দ্র ভ্রমণ করেন।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

দীর্ঘ ১৬ বছরের পরিশ্রমে প্রায় ছয় লাখ হাদিস থেকে কঠোর যাচাই-বাছাই করে তিনি সংকলন করেন সহিহ আল-বুখারি। পুনরাবৃত্তিসহ এতে ৭,২৭৫টি হাদিস স্থান পায়। মুসলিম বিশ্বে পবিত্র আল-কুরআন-এর পর এই গ্রন্থকে সর্বাধিক বিশুদ্ধ গ্রন্থ হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

হাদিস গ্রহণে তিনি দুটি মৌলিক শর্ত অনুসরণ করতেন:

  • বর্ণনাকারী ও তার শিক্ষকের মধ্যে বাস্তব সাক্ষাতের প্রমাণ থাকতে হবে।
  • বর্ণনাকারীকে বিশ্বস্ত, স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন, ন্যায়পরায়ণ ও খোদাভীরু হতে হবে।

জীবনের শেষ পর্যায়ে সমসাময়িক কিছু আলেমের বিরোধিতা এবং শাসকের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে তিনি জন্মভূমি বুখারা ত্যাগ করতে বাধ্য হন। শেষ পর্যন্ত সমরখন্দের নিকটবর্তী খরতঙ্ক গ্রামে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই ইন্তেকাল করেন।

আরও পড়ুনঃ  দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

প্রতিবেদনটিতে তার ইন্তেকালের পর কবর থেকে সুগন্ধ ছড়ানোর মতো কিছু ঐতিহ্যগত বর্ণনাও উল্লেখ করা হয়েছে। এসব বর্ণনা ধর্মীয় ঐতিহ্য ও জীবনীগ্রন্থে প্রচলিত থাকলেও সেগুলো ঐতিহাসিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন।

আজও ইমাম বুখারি এবং তার সংকলিত সহিহ আল-বুখারি মুসলিম উম্মাহর কাছে হাদিসশাস্ত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক প্রভাবশালী গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত।