রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কে (পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে) দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে অসদাচরণ ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এক নারীসহ দুজনকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান। তারা উল্টো পথে মোটরসাইকেলে চলাচল করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানো
ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি পয়েন্ট দিয়ে ট্রাফিক আইন অমান্য করে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওই দুইজন।
সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়ানো ও সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক সার্জেন্ট তাদের থামার সংকেত দেন। মোটরসাইকেল থামানোর পর উল্টো পথে চলাচলের কারণ জানতে চান এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
সার্জেন্টের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা
এ সময় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী কর্তব্যরত সার্জেন্টের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাদের সঙ্গে সার্জেন্টের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়।
একপর্যায়ে নারী আরোহী সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলেন এবং তাকে লক্ষ্য করে তেড়ে যাওয়ার মতো আচরণ করেন। এতে দায়িত্ব পালনরত সার্জেন্ট বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন।
আদালতে কারাদণ্ড
সরকারি কাজে বাধা এবং প্রকাশ্য সড়কে কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে পরে ওই দুজনকে আটক করা হয়।
পরে তাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ট্রাফিক আইন মানার আহ্বান
সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করতে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
ট্রাফিক আইন অমান্য, সরকারি কাজে বাধা কিংবা দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
প্রতিবেদকের নাম 




















