ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রাজশাহীতে ওজনে বিক্রি হচ্ছে গরু, হাট এড়িয়ে খামারমুখী ক্রেতারা

কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে এলেও রাজশাহীতে এখনো পশুর হাট পুরোপুরি জমে ওঠেনি। বরং ক্রেতাদের বড় একটি অংশ এখন খামারমুখী কেনাকাটায় ঝুঁকছেন। হাটের ভিড়, দালালের উৎপাত, অতিরিক্ত হাসিল আদায় ও নানা ধরনের হয়রানি এড়াতে অনেকেই সরাসরি খামারে গিয়ে গরু কিনছেন।

খামারগুলোতে ওজন মেপে নির্ধারিত দামে গরু বিক্রি হওয়ায় ক্রেতাদের আস্থা বাড়ছে। ফলে রাজশাহীর বিভিন্ন খামারে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের ভিড়।

খামারে বাড়ছে বেচাকেনা

রাজশাহী জেলা ও মহানগরীতে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে খামারের সংখ্যা ২৬ হাজারের বেশি। এসব খামারে দেশাল, শাহীওয়াল, অ্যালবিনো, বাফেলো, নেপালি, ভুট্টি ও বিভিন্ন সংকর জাতের গরু পালন করা হচ্ছে। খামারভেদে এক লাখ টাকা থেকে শুরু করে এক কোটি টাকা দামের গরুও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হরমুজ ঘিরে নতুন কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের, ইরানের ওপর বাড়ছে অর্থনৈতিক চাপ

খামারগুলোতে গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা দরে। ক্রেতারা ওজন স্কেলে গরু মেপে পছন্দ অনুযায়ী পশু কিনে খামারেই রেখে দিচ্ছেন। অনেকে ঈদের এক-দুই দিন আগে গরু নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করছেন। আবার অন্য জেলার পাইকাররাও সরাসরি খামার থেকে গরু কিনছেন।

আরও পড়ুনঃ  টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ

খরচ বাড়লেও চাহিদা স্থিতিশীল

খামারিরা বলছেন, গোখাদ্য, ওষুধ, শ্রমিক ও পরিচর্যা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এবার খামারের সংখ্যা ও উৎপাদন কিছুটা কমেছে। তবে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় বেশিরভাগ পশু আগেই বুকিং হয়ে গেছে।

এক খামারি জানান, “ওজনে যে দাম দাঁড়ায় সেটাই নেওয়া হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি।”

হাটে এখনো জমে ওঠেনি বেচাকেনা

অন্যদিকে রাজশাহীর প্রধান পশুর হাটগুলোতে এখনো তেমন ভিড় দেখা যাচ্ছে না। বিক্রেতাদের তুলনায় ক্রেতা কম, এবং গরুর দামও তুলনামূলক বেশি হাঁকা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা থেকে আসা পাইকারদের অভিযোগ, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও দালালদের চাপের কারণে এবার হাটে বাণিজ্য কম হচ্ছে।

সরকারের রাজস্ব নিয়ে উদ্বেগ

খামারভিত্তিক বেচাকেনা বাড়ায় সরকারের রাজস্ব আয় কিছুটা কমতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। কারণ হাটের বাইরে অনেক লেনদেন সরাসরি সম্পন্ন হচ্ছে।

উপসংহার

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্যমতে, রাজশাহী বিভাগে এ বছর কোরবানির পশুর সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিপুল সংখ্যক পশু দেশের অন্যান্য জেলায় পাঠানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রাজশাহীতে ওজনে বিক্রি হচ্ছে গরু, হাট এড়িয়ে খামারমুখী ক্রেতারা

আপডেটের সময়: ১০:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে এলেও রাজশাহীতে এখনো পশুর হাট পুরোপুরি জমে ওঠেনি। বরং ক্রেতাদের বড় একটি অংশ এখন খামারমুখী কেনাকাটায় ঝুঁকছেন। হাটের ভিড়, দালালের উৎপাত, অতিরিক্ত হাসিল আদায় ও নানা ধরনের হয়রানি এড়াতে অনেকেই সরাসরি খামারে গিয়ে গরু কিনছেন।

খামারগুলোতে ওজন মেপে নির্ধারিত দামে গরু বিক্রি হওয়ায় ক্রেতাদের আস্থা বাড়ছে। ফলে রাজশাহীর বিভিন্ন খামারে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের ভিড়।

খামারে বাড়ছে বেচাকেনা

রাজশাহী জেলা ও মহানগরীতে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে খামারের সংখ্যা ২৬ হাজারের বেশি। এসব খামারে দেশাল, শাহীওয়াল, অ্যালবিনো, বাফেলো, নেপালি, ভুট্টি ও বিভিন্ন সংকর জাতের গরু পালন করা হচ্ছে। খামারভেদে এক লাখ টাকা থেকে শুরু করে এক কোটি টাকা দামের গরুও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  গ্যাসের দাবিতে কদমতলীতে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ সিএনজি চালকদের

খামারগুলোতে গরু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা দরে। ক্রেতারা ওজন স্কেলে গরু মেপে পছন্দ অনুযায়ী পশু কিনে খামারেই রেখে দিচ্ছেন। অনেকে ঈদের এক-দুই দিন আগে গরু নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করছেন। আবার অন্য জেলার পাইকাররাও সরাসরি খামার থেকে গরু কিনছেন।

আরও পড়ুনঃ  নোয়াখালীতে পুরোপুরি বন্ধ গ্যাস সরবরাহ, বিপাকে ২৯ হাজার গ্রাহক

খরচ বাড়লেও চাহিদা স্থিতিশীল

খামারিরা বলছেন, গোখাদ্য, ওষুধ, শ্রমিক ও পরিচর্যা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এবার খামারের সংখ্যা ও উৎপাদন কিছুটা কমেছে। তবে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় বেশিরভাগ পশু আগেই বুকিং হয়ে গেছে।

এক খামারি জানান, “ওজনে যে দাম দাঁড়ায় সেটাই নেওয়া হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি।”

হাটে এখনো জমে ওঠেনি বেচাকেনা

অন্যদিকে রাজশাহীর প্রধান পশুর হাটগুলোতে এখনো তেমন ভিড় দেখা যাচ্ছে না। বিক্রেতাদের তুলনায় ক্রেতা কম, এবং গরুর দামও তুলনামূলক বেশি হাঁকা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা থেকে আসা পাইকারদের অভিযোগ, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও দালালদের চাপের কারণে এবার হাটে বাণিজ্য কম হচ্ছে।

সরকারের রাজস্ব নিয়ে উদ্বেগ

খামারভিত্তিক বেচাকেনা বাড়ায় সরকারের রাজস্ব আয় কিছুটা কমতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। কারণ হাটের বাইরে অনেক লেনদেন সরাসরি সম্পন্ন হচ্ছে।

উপসংহার

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্যমতে, রাজশাহী বিভাগে এ বছর কোরবানির পশুর সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিপুল সংখ্যক পশু দেশের অন্যান্য জেলায় পাঠানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।