চট্টগ্রামের কদমতলী এলাকায় সিএনজি না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে ফোর স্টার সিন্ডিকেট ফিলিং স্টেশনের সামনে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন চালকেরা। পরে বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, তবুও মিলছে না গ্যাস
বিক্ষুব্ধ চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে ফিলিং স্টেশনের সামনে অপেক্ষা করেও তারা সিএনজি পাচ্ছেন না। এতে দিনের বড় একটি সময় গ্যাসের লাইনে কাটাতে হচ্ছে এবং গাড়ি চালিয়ে আয় করতে পারছেন না তারা।
চালকদের দাবি, সরকারি ও বিশেষ ব্যক্তিদের গাড়িতে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ করা হলেও সাধারণ চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
চালক শহিদুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে গাড়ি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। গ্যাস পাবেন কি না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। গাড়ি চালিয়েই তাদের সংসার চলে। তাই সারাদিন গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে হলে পরিবারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।
আরেক চালক জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তারা গ্যাস পাচ্ছেন না। অথচ সরকারি ও বিশেষ ব্যক্তিদের গাড়িতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে বলে তারা দেখছেন। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে পরিষ্কার করার দাবি জানান তিনি।
আগের দিনও সড়ক অবরোধ
এর আগে শুক্রবার চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় গ্যাসের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছিলেন কয়েকশ সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক। ওই সময় মুরাদপুর থেকে দুই নম্বর গেট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
চালকদের অভিযোগ ছিল, ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ফিলিং স্টেশনের সামনে অপেক্ষা করেও তারা গ্যাস পাননি।
বিক্ষোভের খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে পুলিশ চালকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে বিকেল ৪টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর বলেন, গ্যাসের দাবিতে চালকেরা সড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
প্রতিবেদকের নাম 


























