ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জুলাইয়ে ২০২ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি সিলেটে বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার সমন্বয়কদের খাওয়ানোর ছবি প্রকাশে ডিবিপ্রধান হারুনকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা চার সংকটে বিদ্যুৎ খাত, রেকর্ড লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি গভীর রাতে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা নারীসহ পুলিশ হেফাজতে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের জন্য বিমান ভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড় আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড পেল মেডিয়েশনে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির প্রস্তুতি সম্পন্ন
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ময়মনসিংহে খাল খনন না হওয়ায় ফেরত গেল পৌনে ৬ কোটি টাকা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১ সময় দেখুন

 

ময়মনসিংহে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নেওয়া ১২টি খাল খনন ও পুনর্খনন প্রকল্পের মধ্যে ১০টির কাজ শেষ হয়েছে। তবে জমি-সংক্রান্ত জটিলতা এবং একটি খালে খননের প্রয়োজন না থাকায় বাকি দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এসব প্রকল্পের বরাদ্দসহ কাজ শেষে অব্যয়িত অর্থ মিলিয়ে মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ১২ হাজার ৮৩০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ময়মনসিংহের ১০টি উপজেলায় ১২টি খাল খনন ও পুনর্খনন প্রকল্পের জন্য মোট ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩১৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এসব প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৫ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনর্খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  গুম হওয়া সোহেলের ছেলে এসএসসিতে উত্তীর্ণ, শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

এর মধ্যে সদর ও ফুলপুর উপজেলার দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়নি। ফুলপুর উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের জারুল খাল পুনর্খননের জন্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা বরাদ্দ ছিল। পরিদর্শনে দেখা যায়, খালটিতে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ ও প্রয়োজনীয় গভীরতা রয়েছে। ফলে সেখানে পুনর্খননের প্রয়োজন না থাকায় প্রকল্পটি বাতিল করা হয় এবং বরাদ্দের পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, সদর উপজেলার চকশ্যামরামপুর খাল খননের জন্য ৮৩ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু খালের জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় প্রকল্পটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে বিকল্প কোনো খাল খননের জন্য প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও তা অনুমোদন না পাওয়ায় এই প্রকল্পের বরাদ্দও ফেরত দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  ১৭ বছর পরও চাকরি স্থায়ীকরণের অনিশ্চয়তা, ব্রেন স্ট্রোকে নির্বাচন অফিসকর্মীর মৃত্যু

এ দুটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া মোট ২ কোটি ৩৭ লাখ ৬২ হাজার ৮৮৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। পাশাপাশি বাস্তবায়িত ১০টি প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যয়িত আরও ৩ কোটি ৪১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে খাল খনন কর্মসূচির ৫ কোটি ৭৯ লাখ ১২ হাজার ৮৩০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই যোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশকে নতুন করে স্বাধীন করেছেন: গণপূর্তমন্ত্রী

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, যেসব খালের খনন ও পুনর্খননের কাজ শেষ হয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সহজ হবে এবং জলাবদ্ধতা কমবে। একই সঙ্গে কৃষিকাজে সেচ সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো বর্ষা ও মৌসুমি বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ভবিষ্যতে খাল খননের প্রকল্প নেওয়ার আগে জমির মালিকানা, মামলা-মোকদ্দমা এবং খননের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা আরও ভালোভাবে যাচাই করা হলে অপ্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও অর্থ ফেরতের মতো পরিস্থিতি কমানো সম্ভব হবে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জুলাইয়ে ২০২ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি

ময়মনসিংহে খাল খনন না হওয়ায় ফেরত গেল পৌনে ৬ কোটি টাকা

আপডেটের সময়: ১১:০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

 

ময়মনসিংহে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নেওয়া ১২টি খাল খনন ও পুনর্খনন প্রকল্পের মধ্যে ১০টির কাজ শেষ হয়েছে। তবে জমি-সংক্রান্ত জটিলতা এবং একটি খালে খননের প্রয়োজন না থাকায় বাকি দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এসব প্রকল্পের বরাদ্দসহ কাজ শেষে অব্যয়িত অর্থ মিলিয়ে মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ১২ হাজার ৮৩০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ময়মনসিংহের ১০টি উপজেলায় ১২টি খাল খনন ও পুনর্খনন প্রকল্পের জন্য মোট ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩১৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এসব প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৫ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনর্খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  এসএসসির ফলাফলে পাস ও জিপিএ-৫—দুই সূচকেই এগিয়ে ঢাকা বোর্ড

এর মধ্যে সদর ও ফুলপুর উপজেলার দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়নি। ফুলপুর উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের জারুল খাল পুনর্খননের জন্য ১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৫ টাকা বরাদ্দ ছিল। পরিদর্শনে দেখা যায়, খালটিতে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ ও প্রয়োজনীয় গভীরতা রয়েছে। ফলে সেখানে পুনর্খননের প্রয়োজন না থাকায় প্রকল্পটি বাতিল করা হয় এবং বরাদ্দের পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, সদর উপজেলার চকশ্যামরামপুর খাল খননের জন্য ৮৩ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু খালের জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় প্রকল্পটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে বিকল্প কোনো খাল খননের জন্য প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও তা অনুমোদন না পাওয়ায় এই প্রকল্পের বরাদ্দও ফেরত দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ  জকসুর ভিপি-জিএস-এজিএসের বিরুদ্ধে শিক্ষক হেনস্তার অভিযোগ, শাস্তি দাবি ছাত্রদলের

এ দুটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া মোট ২ কোটি ৩৭ লাখ ৬২ হাজার ৮৮৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। পাশাপাশি বাস্তবায়িত ১০টি প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যয়িত আরও ৩ কোটি ৪১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে খাল খনন কর্মসূচির ৫ কোটি ৭৯ লাখ ১২ হাজার ৮৩০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত গেছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ?’ জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, যেসব খালের খনন ও পুনর্খননের কাজ শেষ হয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সহজ হবে এবং জলাবদ্ধতা কমবে। একই সঙ্গে কৃষিকাজে সেচ সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো বর্ষা ও মৌসুমি বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ভবিষ্যতে খাল খননের প্রকল্প নেওয়ার আগে জমির মালিকানা, মামলা-মোকদ্দমা এবং খননের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা আরও ভালোভাবে যাচাই করা হলে অপ্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও অর্থ ফেরতের মতো পরিস্থিতি কমানো সম্ভব হবে।