
দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। বর্তমানে ১০০ বাংলাদেশি টাকায় পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৭৯ ভারতীয় রুপি, যা কিছুদিন আগে ছিল প্রায় ৭৩ রুপি।
একইভাবে আগে যেখানে ১০০ রুপি কিনতে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪০ টাকা খরচ হতো, এখন তা নেমে এসেছে প্রায় ১২৩ টাকায়।
মুদ্রা বিনিময় হারের এই পরিবর্তনে সীমান্ত বাণিজ্য, আমদানি কার্যক্রম এবং ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভারত ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা ফি, বন্দর চার্জ, ভ্রমণ করসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় তুলনামূলকভাবে কিছুটা কমেছে বলে জানান ভ্রমণকারীরা। ব্যবসায়ীরাও বলছেন, রুপির উচ্চমূল্যের চাপ কমায় আমদানি ব্যয় হ্রাস পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহারকারী রাশেদুজ্জামান বলেন, “টাকার মান বাড়ায় ভারত ভ্রমণের খরচ কিছুটা কমবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির।”
বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, এতে আমদানি ব্যয় কমে ব্যবসায়ীদের জন্য সুবিধা তৈরি হবে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক এই পরিবর্তন গত ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, যা বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদকের নাম 




















