ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নতুন ফ্যাসিবাদের চেষ্টা হলে জনগণই প্রতিরোধ গড়বে: জামায়াত আমির হরমুজ প্রণালি চালুর আশায় কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম শুকরিয়া আদায় করে শান্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন খালেদা জিয়া ২০৪৫ সালের ঢাকা: ৮ মেট্রোরেল, ৬ এক্সপ্রেসওয়ে ও ২১ পরিবহন হাবের মহাপরিকল্পনা ‘বিজয় অথবা শহীদ’ পোস্টের পরই গুলিতে প্রাণ হারান রাকিব ঢামেকে সংঘর্ষের পর শান্তা ফারজানাসহ ৬ নেতা পুলিশ হেফাজতে গোহাইল রোডে স্বস্তির ছোঁয়া, শুরু হলো জরুরি সংস্কার ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নেই গড়ে উঠবে নতুন বাংলাদেশ’ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, নিষিদ্ধ সংগঠনের ওপর থাকবে গোয়েন্দা নজরদারি জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঐক্য, সাহস ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতীক: ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com
২০৪৫ সালের ঢাকা:

২০৪৫ সালের ঢাকা: ৮ মেট্রোরেল, ৬ এক্সপ্রেসওয়ে ও ২১ পরিবহন হাবের মহাপরিকল্পনা

সমন্বিত গণপরিবহন গড়ে তুলতে নতুন স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (এসটিপি) ২০২৬–২০৪৫ প্রণয়ন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। পরিকল্পনায় রাজধানীতে ৮টি মেট্রোরেল, ৬টি এক্সপ্রেসওয়ে, ৩টি রিং রোড এবং ২১টি মাল্টিমোডাল পরিবহন হাব নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ডিটিসিএ ভবনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ‘স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (এসটিপি) ২০২৬–২০৪৫’-এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সভায় বৃহত্তর ঢাকার দীর্ঘমেয়াদি পরিবহন পরিকল্পনা, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৪৫ সালের মধ্যে রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক ২৬৮ দশমিক ৫ কিলোমিটারে উন্নীত করা হবে। বর্তমানে ১৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নেটওয়ার্ক ২০৩০ সালে ৭২ দশমিক ২ কিলোমিটার, ২০৩৫ সালে ১৩৭ দশমিক ৮ কিলোমিটার এবং ২০৪৫ সালে ২৬৮ দশমিক ৫ কিলোমিটারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  চীনের গানসুতে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫

ডিটিসিএর প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনায় রয়েছে ৮টি মেট্রোরেল (এমআরটি) লাইন, ২টি বিআরটি লাইন, ৩টি রিং রোড, ৮টি রেডিয়াল সড়ক, ৬টি এক্সপ্রেসওয়ে এবং ২১টি মাল্টিমোডাল পরিবহন হাব নির্মাণ।

সভায় জানানো হয়, রাজধানীতে গণপরিবহনের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। ২০১৪ সালে দৈনন্দিন যাতায়াতে গণপরিবহনের অংশ ছিল ২২ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে নেমে এসেছে মাত্র ৮ দশমিক ৯ শতাংশে। একই সময়ে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও তিন চাকার যানবাহনের ব্যবহার বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মেট্রোরেলের সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে প্রায় ৭৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচটি মনোরেল করিডরেরও প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রকল্পের প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)কে দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যানজট নিরসনে রাজধানীর চারপাশে তিনটি রিং রোড নির্মাণের পাশাপাশি সদরঘাট থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত একটি বৃত্তাকার নৌপথ এবং একাধিক ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  হরমুজ প্রণালিতে একক নৌপথ তৈরির উদ্যোগ, ওমানের সঙ্গে আলোচনায় ইরান

ডিটিসিএ জানিয়েছে, আন্তজেলা বাস টার্মিনালগুলো ধাপে ধাপে নগরের বাইরে স্থানান্তরের কাজ চলছে। একই সঙ্গে বাস রুট রেশনালাইজেশন ও কোম্পানিভিত্তিক বাস পরিচালনার উদ্যোগও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বিআরটিএ অনুমোদিত ৪১৮টি বাস রুটের মধ্যে সচল রয়েছে মাত্র ৯৮টি। এ কারণে ৩২টি প্রধান রুট ও ২৫টি ফিডার রুট নিয়ে নতুন বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সভায় ‘র‌্যাপিড পাস’ স্মার্ট কার্ডের অগ্রগতিও তুলে ধরা হয়। বর্তমানে ১৯ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এই কার্ড ব্যবহার করছেন এবং শুধু মেট্রোরেলেই প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৭০ লাখ যাত্রা সম্পন্ন হচ্ছে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রজেক্টের আওতায় রাজধানীতে ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩১ সালের আগস্টের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে

গাবতলী, কমলাপুর ও বিমানবন্দর এলাকায় মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব হাবে মেট্রোরেল, বাস, রেল, নৌ ও বিমান পরিবহনকে একীভূত করে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা হবে।

আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান।

উল্লেখ্য, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও মানিকগঞ্জকে নিয়ে গঠিত বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চলের সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্ব পালন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নতুন ফ্যাসিবাদের চেষ্টা হলে জনগণই প্রতিরোধ গড়বে: জামায়াত আমির

২০৪৫ সালের ঢাকা:

২০৪৫ সালের ঢাকা: ৮ মেট্রোরেল, ৬ এক্সপ্রেসওয়ে ও ২১ পরিবহন হাবের মহাপরিকল্পনা

আপডেটের সময়: ০৮:১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

সমন্বিত গণপরিবহন গড়ে তুলতে নতুন স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (এসটিপি) ২০২৬–২০৪৫ প্রণয়ন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। পরিকল্পনায় রাজধানীতে ৮টি মেট্রোরেল, ৬টি এক্সপ্রেসওয়ে, ৩টি রিং রোড এবং ২১টি মাল্টিমোডাল পরিবহন হাব নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ডিটিসিএ ভবনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ‘স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (এসটিপি) ২০২৬–২০৪৫’-এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সভায় বৃহত্তর ঢাকার দীর্ঘমেয়াদি পরিবহন পরিকল্পনা, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৪৫ সালের মধ্যে রাজধানীর মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক ২৬৮ দশমিক ৫ কিলোমিটারে উন্নীত করা হবে। বর্তমানে ১৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নেটওয়ার্ক ২০৩০ সালে ৭২ দশমিক ২ কিলোমিটার, ২০৩৫ সালে ১৩৭ দশমিক ৮ কিলোমিটার এবং ২০৪৫ সালে ২৬৮ দশমিক ৫ কিলোমিটারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ মন্তব্যের জেরে ৩ খাদ্য কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

ডিটিসিএর প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনায় রয়েছে ৮টি মেট্রোরেল (এমআরটি) লাইন, ২টি বিআরটি লাইন, ৩টি রিং রোড, ৮টি রেডিয়াল সড়ক, ৬টি এক্সপ্রেসওয়ে এবং ২১টি মাল্টিমোডাল পরিবহন হাব নির্মাণ।

সভায় জানানো হয়, রাজধানীতে গণপরিবহনের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। ২০১৪ সালে দৈনন্দিন যাতায়াতে গণপরিবহনের অংশ ছিল ২২ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে নেমে এসেছে মাত্র ৮ দশমিক ৯ শতাংশে। একই সময়ে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও তিন চাকার যানবাহনের ব্যবহার বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মেট্রোরেলের সঙ্গে সংযোগ জোরদার করতে প্রায় ৭৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচটি মনোরেল করিডরেরও প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রকল্পের প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)কে দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যানজট নিরসনে রাজধানীর চারপাশে তিনটি রিং রোড নির্মাণের পাশাপাশি সদরঘাট থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত একটি বৃত্তাকার নৌপথ এবং একাধিক ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  অ্যানালগ নয়, ডিজিটালে রূপান্তর জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

ডিটিসিএ জানিয়েছে, আন্তজেলা বাস টার্মিনালগুলো ধাপে ধাপে নগরের বাইরে স্থানান্তরের কাজ চলছে। একই সঙ্গে বাস রুট রেশনালাইজেশন ও কোম্পানিভিত্তিক বাস পরিচালনার উদ্যোগও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বিআরটিএ অনুমোদিত ৪১৮টি বাস রুটের মধ্যে সচল রয়েছে মাত্র ৯৮টি। এ কারণে ৩২টি প্রধান রুট ও ২৫টি ফিডার রুট নিয়ে নতুন বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সভায় ‘র‌্যাপিড পাস’ স্মার্ট কার্ডের অগ্রগতিও তুলে ধরা হয়। বর্তমানে ১৯ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এই কার্ড ব্যবহার করছেন এবং শুধু মেট্রোরেলেই প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৭০ লাখ যাত্রা সম্পন্ন হচ্ছে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রজেক্টের আওতায় রাজধানীতে ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩১ সালের আগস্টের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জীবননগরে নকল হারপিক তৈরির অভিযোগে কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা

গাবতলী, কমলাপুর ও বিমানবন্দর এলাকায় মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব হাবে মেট্রোরেল, বাস, রেল, নৌ ও বিমান পরিবহনকে একীভূত করে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা হবে।

আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান।

উল্লেখ্য, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও মানিকগঞ্জকে নিয়ে গঠিত বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চলের সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্ব পালন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।