কুমিল্লায় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির কাছে আসামিরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬), কামরুল হাসান (১৫) ও মো. সিয়াম (১৫)। আদালতে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তারা হত্যার ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
কুমিল্লা কোর্ট থানা পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান জানান, আদালতের কার্যক্রম শেষ হলে আসামিদের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে। মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর সে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরে তার বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটসংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের পাশে সানন্দা গ্রামের একটি ঝোপ থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
অপ্রতিম কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশ বলছে, তার সঙ্গে থাকা আইফোনটি নেওয়ার জন্যই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তদন্তের পর ঘটনায় জড়িত চারজনকে শনাক্ত ও আটক করা হয়। পরে অপ্রতিমের বাবার করা হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।
প্রতিবেদকের নাম 



















