ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের স্থল-আকাশ হামলা, নিহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন দাবি

 

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে স্থল ও বিমান হামলা চালিয়ে ২৯ জন যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে পাকিস্তান। করাচিতে আধাসামরিক বাহিনীর সদর দফতরে হামলায় তিন সেনা নিহত হওয়ার একদিন পর এই অভিযান চালানো হয়। খবর রয়টার্স।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, দেশজুড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একাধিক হামলার জবাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পূর্ব আফগানিস্তানের পাক্তিয়া ও কুনার প্রদেশে পাকিস্তান তালেবানের (টিটিপি) গোপন আস্তানা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  বোনের বিয়ের বাজার শেষে নিথর দেহে ফিরলেন ভাই

তবে আফগান তালেবান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত পাকিস্তানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার ভাষ্য, আকস্মিক এ হামলায় অন্তত ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ১৬৩ জন আহত হয়েছেন।

এর আগে করাচিতে বন্দুক ও বিস্ফোরক নিয়ে রেঞ্জার্সের আঞ্চলিক সদর দফতরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে তিন সেনা নিহত হন। পরে নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তিন হামলাকারীকে হত্যা এবং একজনকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুনঃ  ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান: শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর বিশ্ব যা বলেছিল

গত শনিবার (২৭ জুন) রাতে পাকিস্তান তালেবানের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ জামাত-উল-আহরার করাচি হামলার দায় স্বীকার করে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলার সংখ্যা বেড়েছে। এসব হামলার জন্য ইসলামাবাদ পাকিস্তান তালেবান (টিটিপি) ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করছে। একই সঙ্গে আফগান তালেবান সরকার এসব গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে পাকিস্তান। তবে কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি পদে ড. ইউনূসকে কোনো প্রস্তাব নয়, আলোচনায় মির্জা ফখরুল: প্রতিবেদন

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় একাধিক শান্তি আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের স্থল-আকাশ হামলা, নিহতের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন দাবি

আপডেটের সময়: ০৫:২৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

 

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে স্থল ও বিমান হামলা চালিয়ে ২৯ জন যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে পাকিস্তান। করাচিতে আধাসামরিক বাহিনীর সদর দফতরে হামলায় তিন সেনা নিহত হওয়ার একদিন পর এই অভিযান চালানো হয়। খবর রয়টার্স।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, দেশজুড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একাধিক হামলার জবাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পূর্ব আফগানিস্তানের পাক্তিয়া ও কুনার প্রদেশে পাকিস্তান তালেবানের (টিটিপি) গোপন আস্তানা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান: শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর বিশ্ব যা বলেছিল

তবে আফগান তালেবান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত পাকিস্তানের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার ভাষ্য, আকস্মিক এ হামলায় অন্তত ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ১৬৩ জন আহত হয়েছেন।

এর আগে করাচিতে বন্দুক ও বিস্ফোরক নিয়ে রেঞ্জার্সের আঞ্চলিক সদর দফতরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে তিন সেনা নিহত হন। পরে নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তিন হামলাকারীকে হত্যা এবং একজনকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুনঃ  ইনিংস ব্যবধানে হারের পর সিমন্স বললেন, ‘হতাশাজনক’

গত শনিবার (২৭ জুন) রাতে পাকিস্তান তালেবানের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ জামাত-উল-আহরার করাচি হামলার দায় স্বীকার করে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলার সংখ্যা বেড়েছে। এসব হামলার জন্য ইসলামাবাদ পাকিস্তান তালেবান (টিটিপি) ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করছে। একই সঙ্গে আফগান তালেবান সরকার এসব গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে পাকিস্তান। তবে কাবুল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘রাতে ওনারা পাশাপাশি বসেন, মাঝখানে চোখ হারায় কর্মীরা’— ফেসবুকে তাসনিম জারা

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলায় শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় একাধিক শান্তি আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।