ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জিৎকে দলে নিতে চায় বিজেপি, প্রস্তাবের বিষয়ে যা বললেন অভিনেতা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১ সময় দেখুন

টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ সাধারণত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সভা-সমাবেশ থেকে দূরে থাকেন। তবে গত ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি মনোনীত প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে শুরু হয় রাজনৈতিক জল্পনা। এরই মধ্যে অভিনেতাকে দলে ভেড়াতে বিজেপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করেছেন জিৎ। এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করার কোনো ইচ্ছা তার নেই।

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন

তৃণমূল কংগ্রেস কিংবা বিজেপির পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জিৎ বলেন, ‘হ্যাঁ, হয়েছিল। কিন্তু আমি নিজেকে রাজনীতিতে দেখি না, তাই আমি এসব থেকে দূরে থাকি।’

আরও পড়ুনঃ  মারধরের ঘটনায় ঢাবির বিজয় একাত্তর হল থেকে শিক্ষার্থী বহিষ্কার

অভিনেতার এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও আপাতত রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তার।

শুভেন্দুর শপথে উপস্থিতি নিয়ে ব্যাখ্যা

গত ৯ মে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জিৎ উপস্থিত থাকায় তার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে বিষয়টি পরিষ্কার করতে গিয়ে অভিনেতা জানান, এর আগেও তিনি রাজনৈতিক নেতার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জিৎ বলেন, ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়ও তিনি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অর্থাৎ, কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকাকে নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার পক্ষে নন এই অভিনেতা।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কার্যকর থাকবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ: চিফ হুইপ

‘শিল্প ও রাজনীতি আলাদা রাখা উচিত’

গত ১৫ বছরে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে রাজনীতির প্রভাব এবং বিপুলসংখ্যক অভিনেতার সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়া নিয়েও কথা বলেন জিৎ।

তার মতে, চলচ্চিত্রশিল্প ও রাজনীতি দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ক্ষেত্র। তাই এগুলোকে আলাদা রাখাই ভালো।

জিৎ বলেন, ‘শিল্প ও রাজনীতি দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারা, এগুলোকে একে অপরের থেকে আলাদা রাখা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার সঙ্গে সৃজনশীলতার সম্পর্ক তৈরি হলে সৃজনশীলতা পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তার ভাষায়, সৃজনশীল মানুষদের নিজেদের কাজেই মনোযোগী থাকা উচিত এবং রাজনীতিবিদদের তাদের দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুনঃ  সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের অভিযোগ: জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

রাজনীতিমুক্ত চলচ্চিত্রশিল্প চান জিৎ

অভিনেতার মতে, চলচ্চিত্রশিল্প রাজনীতির প্রভাবমুক্ত থাকলে বাংলা সিনেমা আরও ভালো অবস্থানে যেতে পারে।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতিকরণ থেকে মুক্ত থাকলে চলচ্চিত্র শিল্প অনেক ভালো জায়গায় অবস্থান করতে পারবে।’

একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে চলচ্চিত্রশিল্পের অগ্রগতির সম্পর্ক রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতি হলে তার ইতিবাচক প্রভাব চলচ্চিত্রশিল্পেও পড়বে বলে মন্তব্য করেন জিৎ।

এদিকে জিৎ অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ নিয়েও সাক্ষাৎকারে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন তিনি। ছবিটির পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি ও রাজনীতিকরণের নানা দিক নিয়েও কথা বলেন এই টলিউড তারকা।

সূত্র: এনডিটিভি

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জিৎকে দলে নিতে চায় বিজেপি, প্রস্তাবের বিষয়ে যা বললেন অভিনেতা

আপডেটের সময়: ০৫:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ সাধারণত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সভা-সমাবেশ থেকে দূরে থাকেন। তবে গত ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি মনোনীত প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে শুরু হয় রাজনৈতিক জল্পনা। এরই মধ্যে অভিনেতাকে দলে ভেড়াতে বিজেপির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করেছেন জিৎ। এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করার কোনো ইচ্ছা তার নেই।

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন

তৃণমূল কংগ্রেস কিংবা বিজেপির পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জিৎ বলেন, ‘হ্যাঁ, হয়েছিল। কিন্তু আমি নিজেকে রাজনীতিতে দেখি না, তাই আমি এসব থেকে দূরে থাকি।’

আরও পড়ুনঃ  ১৭ বছর পরও চাকরি স্থায়ীকরণের অনিশ্চয়তা, ব্রেন স্ট্রোকে নির্বাচন অফিসকর্মীর মৃত্যু

অভিনেতার এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও আপাতত রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তার।

শুভেন্দুর শপথে উপস্থিতি নিয়ে ব্যাখ্যা

গত ৯ মে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জিৎ উপস্থিত থাকায় তার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে বিষয়টি পরিষ্কার করতে গিয়ে অভিনেতা জানান, এর আগেও তিনি রাজনৈতিক নেতার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জিৎ বলেন, ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়ও তিনি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অর্থাৎ, কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকাকে নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার পক্ষে নন এই অভিনেতা।

আরও পড়ুনঃ  হরমুজ ঘিরে অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম

‘শিল্প ও রাজনীতি আলাদা রাখা উচিত’

গত ১৫ বছরে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে রাজনীতির প্রভাব এবং বিপুলসংখ্যক অভিনেতার সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়া নিয়েও কথা বলেন জিৎ।

তার মতে, চলচ্চিত্রশিল্প ও রাজনীতি দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ক্ষেত্র। তাই এগুলোকে আলাদা রাখাই ভালো।

জিৎ বলেন, ‘শিল্প ও রাজনীতি দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারা, এগুলোকে একে অপরের থেকে আলাদা রাখা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার সঙ্গে সৃজনশীলতার সম্পর্ক তৈরি হলে সৃজনশীলতা পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তার ভাষায়, সৃজনশীল মানুষদের নিজেদের কাজেই মনোযোগী থাকা উচিত এবং রাজনীতিবিদদের তাদের দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুনঃ  সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের অভিযোগ: জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

রাজনীতিমুক্ত চলচ্চিত্রশিল্প চান জিৎ

অভিনেতার মতে, চলচ্চিত্রশিল্প রাজনীতির প্রভাবমুক্ত থাকলে বাংলা সিনেমা আরও ভালো অবস্থানে যেতে পারে।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতিকরণ থেকে মুক্ত থাকলে চলচ্চিত্র শিল্প অনেক ভালো জায়গায় অবস্থান করতে পারবে।’

একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে চলচ্চিত্রশিল্পের অগ্রগতির সম্পর্ক রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতি হলে তার ইতিবাচক প্রভাব চলচ্চিত্রশিল্পেও পড়বে বলে মন্তব্য করেন জিৎ।

এদিকে জিৎ অভিনীত নতুন সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ নিয়েও সাক্ষাৎকারে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন তিনি। ছবিটির পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি ও রাজনীতিকরণের নানা দিক নিয়েও কথা বলেন এই টলিউড তারকা।

সূত্র: এনডিটিভি