ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গেলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী অস্ত্র-সংকটের তথ্য জানতেন না ট্রাম্প, হেগসেথের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় বোনের বিয়ের বাজার শেষে নিথর দেহে ফিরলেন ভাই দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব হাসপাতালে সার্কুলারের নির্দেশ হাইকোর্টের আলভারেজকে পেতে ১১৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে প্রস্তুত বার্সেলোনা! চাঁদপুরে মামলা পরিচালনাকালে আইনজীবীর মৃত্যু হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের, ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হলো কল রেকর্ড অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী, উপহার দিলেন হারমোনিয়াম বাদ দিতে হলো ইমরান হাশমির নতুন সিনেমার ৪ মিনিটের দৃশ্য
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জুরাছড়িতে ইউএনওসহ ১৬ গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

  • arif
  • আপডেটের সময়: ০৯:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ২৪ সময় দেখুন

রাঙামাটির দুর্গম জুরাছড়ি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের মধ্যে ১৬টিতেই স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। পাশের উপজেলার কর্মকর্তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন এখানে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। প্রয়োজনীয় সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে পর্যন্ত ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দ। এর পর থেকে রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, বরকল, বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই উপজেলার ইউএনওদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে জরুরি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও জনসেবামূলক কাজে বিলম্ব হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গেলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার পদ ৮-১০ বছর ধরে শূন্য। একইভাবে উপজেলা প্রকৌশলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং পরিসংখ্যান কর্মকর্তার পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি। সমবায় বিভাগের চারটি পদই শূন্য। বরকল উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করলেও মাসে এক-দুই দিনের বেশি জুরাছড়িতে আসতে পারেন না। এ ছাড়া তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় থাকলেও সেখানে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নেই।

আরও পড়ুনঃ  অর্থ সাহায্য চাইতে গিয়ে অশালীন প্রস্তাবের অভিযোগ, মুখ খুললেন মডেল আকাঙ্ক্ষা চৌধুরী

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সরকারি কর্মচারী জানান, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জরুরি কাজ সময়মতো সম্পন্ন হয় না।

বনযোগীছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা বলেন, কর্মকর্তা সংকটের কারণে সরকারের সেবা তৃণমূলে পৌঁছাতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় মানুষ প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  জনগণের দাবি জানাতেই সচিবালয়ের সামনে এসেছি: জামায়াত আমির

স্থানীয় হেডম্যান সম্রাট চাকমা বলেন, দুর্গম এলাকার মানুষ এমনিতেই নানা কষ্টে সরকারি সেবা নেন। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে সেই ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

ইউপি সদস্য ননাবী চাকমা বলেন, কর্মকর্তা সংকটের কারণে নারী, শিশু ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়নও ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, জুরাছড়ির মতো দুর্গম উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। কার্যকর জনসেবা নিশ্চিত ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া জরুরি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা

জুরাছড়িতে ইউএনওসহ ১৬ গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

আপডেটের সময়: ০৯:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটির দুর্গম জুরাছড়ি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের মধ্যে ১৬টিতেই স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। পাশের উপজেলার কর্মকর্তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন এখানে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। প্রয়োজনীয় সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে পর্যন্ত ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দ। এর পর থেকে রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, বরকল, বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই উপজেলার ইউএনওদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে জরুরি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও জনসেবামূলক কাজে বিলম্ব হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  রিপাবলিক বাংলা ছাড়লেন ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ

উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার পদ ৮-১০ বছর ধরে শূন্য। একইভাবে উপজেলা প্রকৌশলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং পরিসংখ্যান কর্মকর্তার পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি। সমবায় বিভাগের চারটি পদই শূন্য। বরকল উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করলেও মাসে এক-দুই দিনের বেশি জুরাছড়িতে আসতে পারেন না। এ ছাড়া তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় থাকলেও সেখানে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নেই।

আরও পড়ুনঃ  তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গেলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সরকারি কর্মচারী জানান, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জরুরি কাজ সময়মতো সম্পন্ন হয় না।

বনযোগীছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা বলেন, কর্মকর্তা সংকটের কারণে সরকারের সেবা তৃণমূলে পৌঁছাতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় মানুষ প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  জনগণের অধিকার আদায়ে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের ঘোষণা জামায়াত আমিরের

স্থানীয় হেডম্যান সম্রাট চাকমা বলেন, দুর্গম এলাকার মানুষ এমনিতেই নানা কষ্টে সরকারি সেবা নেন। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে সেই ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

ইউপি সদস্য ননাবী চাকমা বলেন, কর্মকর্তা সংকটের কারণে নারী, শিশু ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়নও ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, জুরাছড়ির মতো দুর্গম উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। কার্যকর জনসেবা নিশ্চিত ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া জরুরি।