ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

নবদিগন্তের সূচনা: সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আজকের দিনটি ছিল একেবারেই ভিন্ন আবহে ভরপুর। দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে স্টেডিয়ামটি যেন ফিরে পেল প্রাণচাঞ্চল্য—গ্যালারি ভরে উঠেছে দর্শকে, মাঠজুড়ে খুদে ক্রীড়াবিদদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, আর চারপাশে নিরাপত্তা ও আয়োজনের ব্যস্ততা।

আজ বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলা স্টেডিয়ামের খুদে ক্রীড়াবিদরা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই আয়োজনের অংশ হন।

শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করেছিল ‘নতুন কুঁড়ি’। একসময় টেলিভিশনের পর্দায় জনপ্রিয় এই উদ্যোগ বহু প্রতিভা উপহার দিয়েছিল দেশকে। দীর্ঘ বিরতির পর সেই পরিচিত নাম এবার ফিরে এসেছে ক্রীড়াঙ্গনের নতুন রূপে—মাঠভিত্তিক প্রতিযোগিতা হিসেবে।

আরও পড়ুনঃ  স্যান্ডপেপার কেলেঙ্কারি নিয়ে খাজার দাবিতে প্রশ্ন তুললেন বয়কট

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খেলা থেকে আসা ৩২ জন অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদ উপস্থিত ছিলেন। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি—বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তরুণদের উৎসাহ দেন।

সরকারি পর্যায়ে এই উদ্যোগকে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা চালু করা হয়েছে, যা অ্যাথলেটদের আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ট্রাম্পকে হত্যার হুমকির অভিযোগ, হোয়াইট হাউসের কাছে অস্ত্রসহ আটক

উদ্বোধন ভেন্যু হিসেবে সিলেটকে বেছে নেওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে, ঢাকার বাইরে থেকে এই জাতীয় ক্রীড়া উদ্যোগ শুরু করার নির্দেশনা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তারই ধারাবাহিকতায় সিলেটকে প্রথম আয়োজনের কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

এই প্রতিযোগিতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা অংশ নিচ্ছে মোট ৮টি ইভেন্টে। ধাপে ধাপে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে তারা জাতীয় পর্বে পৌঁছাবে। আগামী ১৩ থেকে ২২ মে’র মধ্যে আঞ্চলিক পর্ব শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশকে ১০টি ক্রীড়া অঞ্চলে ভাগ করে এই প্রতিযোগিতা পরিচালনা করা হচ্ছে—ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীসহ বিভিন্ন অঞ্চল এতে অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি পর্যায়ে আলাদা কমিটি পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করছে, যাতে মেধাবী ক্রীড়াবিদরা যথাযথ সুযোগ পান।

আরও পড়ুনঃ  নবম শ্রেণিতে ভালো ফল, ছেলেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকার বিএমডব্লিউ উপহার

ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনে নকআউট পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। দাবায় সুইস লিগ এবং অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টে বাছাই ও ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হবে। একজন প্রতিযোগী সর্বোচ্চ দুটি ইভেন্টে অংশ নিতে পারবে।

এবারের আসরে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছে, যা আয়োজনটির ব্যাপক জনপ্রিয়তার প্রমাণ।

 

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নবদিগন্তের সূচনা: সিলেটে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন

আপডেটের সময়: ০৫:২২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আজকের দিনটি ছিল একেবারেই ভিন্ন আবহে ভরপুর। দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে স্টেডিয়ামটি যেন ফিরে পেল প্রাণচাঞ্চল্য—গ্যালারি ভরে উঠেছে দর্শকে, মাঠজুড়ে খুদে ক্রীড়াবিদদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, আর চারপাশে নিরাপত্তা ও আয়োজনের ব্যস্ততা।

আজ বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলা স্টেডিয়ামের খুদে ক্রীড়াবিদরা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই আয়োজনের অংশ হন।

শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু করেছিল ‘নতুন কুঁড়ি’। একসময় টেলিভিশনের পর্দায় জনপ্রিয় এই উদ্যোগ বহু প্রতিভা উপহার দিয়েছিল দেশকে। দীর্ঘ বিরতির পর সেই পরিচিত নাম এবার ফিরে এসেছে ক্রীড়াঙ্গনের নতুন রূপে—মাঠভিত্তিক প্রতিযোগিতা হিসেবে।

আরও পড়ুনঃ  কপ৩১ সম্মেলনে ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খেলা থেকে আসা ৩২ জন অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদ উপস্থিত ছিলেন। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি—বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তরুণদের উৎসাহ দেন।

সরকারি পর্যায়ে এই উদ্যোগকে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা চালু করা হয়েছে, যা অ্যাথলেটদের আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  জাতীয় এসএমই নারী উদ্যোক্তা সামিটে তথ্য সচিবের বক্তব্য

উদ্বোধন ভেন্যু হিসেবে সিলেটকে বেছে নেওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে, ঢাকার বাইরে থেকে এই জাতীয় ক্রীড়া উদ্যোগ শুরু করার নির্দেশনা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তারই ধারাবাহিকতায় সিলেটকে প্রথম আয়োজনের কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

এই প্রতিযোগিতায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা অংশ নিচ্ছে মোট ৮টি ইভেন্টে। ধাপে ধাপে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে তারা জাতীয় পর্বে পৌঁছাবে। আগামী ১৩ থেকে ২২ মে’র মধ্যে আঞ্চলিক পর্ব শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশকে ১০টি ক্রীড়া অঞ্চলে ভাগ করে এই প্রতিযোগিতা পরিচালনা করা হচ্ছে—ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীসহ বিভিন্ন অঞ্চল এতে অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি পর্যায়ে আলাদা কমিটি পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করছে, যাতে মেধাবী ক্রীড়াবিদরা যথাযথ সুযোগ পান।

আরও পড়ুনঃ  নবম শ্রেণিতে ভালো ফল, ছেলেকে ২ কোটি ৩০ লাখ টাকার বিএমডব্লিউ উপহার

ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনে নকআউট পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। দাবায় সুইস লিগ এবং অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টে বাছাই ও ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হবে। একজন প্রতিযোগী সর্বোচ্চ দুটি ইভেন্টে অংশ নিতে পারবে।

এবারের আসরে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছে, যা আয়োজনটির ব্যাপক জনপ্রিয়তার প্রমাণ।