ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রিয়াল ছাড়লেন গনজালো গার্সিয়া, পাঁচ বছরের চুক্তিতে ফুলহ্যামে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড না ফেরার দেশে অভিনেত্রী রিনা রহমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় ফের চাঙ্গা তেলের বাজার, বেড়েছে বিশ্ববাজারে দাম ‘চ্যালেঞ্জিং গল্প পেলে ফিরব’— শাকিবকে সিনেমার প্রতিশ্রুতি দিলেন ববিতা ‘ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে পুলিশ থাকবে কঠোর’ — খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড্রেনে বর্জ্যের স্তূপে নাকাল রাজবাড়ীর চাল বাজার, সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ ভাড়াটে খুনি দিয়ে সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: জামায়াত নেতা কারাগারে সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর শুরু, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ জুলাইয়ে পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১২.৪৯ শতাংশ, তৈরি পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অ্যানালগ নয়, ডিজিটালে রূপান্তর জরুরি: তথ্যমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

ফিলাডেলফিয়ায় মেমোরিয়াল ডে উইকেন্ডের আগে একটি সুনোকো গ্যাস স্টেশনে লোকজন পেট্রোল কিনছেন।

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ এখন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট। শুক্রবার (২২ মে) ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সর্বশেষ জরিপ বলছে, মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা আস্থার সূচক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে।

সূচকটি মে মাসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৪ দশমিক ২ পয়েন্টে, যা এপ্রিল মাসের ৪৯ দশমিক ৮ পয়েন্ট থেকে বেশ খানিকটা কম। টানা তৃতীয় মাসের মতো সূচকটি পড়ছে এবং এবার আগের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন নিম্নে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য খারাপ খবর। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক। বিশ্বের মোট আমদানির প্রায় ১৩ দশমিক ২ শতাংশই করে আমেরিকা। তাই সেখানকার ভোক্তাদের আস্থা কমলে অনেক দেশের রপ্তানি ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ এশিয়ায় অপরাধের শীর্ষে ঢাকা, নিরাপত্তা সূচকে তলানিতে রাজধানী

ইরানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি প্রায় তিন মাস ধরে প্রায় অচল। ফলে তেলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে এবং দামও আকাশছোঁয়া। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আগে থেকেই চলতে থাকা উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ।

ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সার্ভে অব কনজিউমার্সের পরিচালক জোয়ান হসু বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো মানুষের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। ৫৭ শতাংশ ভোক্তা বলেছেন, উচ্চ মূল্য তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ ফেলছে। গত মাসে এই হার ছিল ৫০ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  আগস্টজুড়ে নাশকতার শঙ্কা, দেশব্যাপী সতর্ক থাকার নির্দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি আরও জানান, মে মাসে ভোক্তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক সক্ষমতার অনুভূতি ১৩ শতাংশ কমেছে।

জরিপে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি হতাশায় আছেন নিম্ন আয়ের মানুষ এবং যাদের কলেজ ডিগ্রি নেই। জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ধাক্কা তাদের ওপরই পড়ছে।

জোয়ান হসু বলেন, বছরের শুরুতে অনেকে হয়তো ভেবেছিলেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে। কিন্তু তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর তারা বুঝতে পারছেন, এই সংকট সহসাই কাটবে না।

ফলস্বরূপ, আগামী এক বছরে মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা এপ্রিলের ৪ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে মে মাসে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ হয়েছে। পাঁচ বছরের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশাও ৩ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশেষ করে রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা অনেক বেশি বেড়েছে।

যদিও সামগ্রিক অর্থনৈতিক সূচক এখনো মোটামুটি স্থিতিশীল এবং শেয়ারবাজার নতুন উচ্চতায় উঠছে, তবু সাধারণ আমেরিকানরা এই ইতিবাচকতা অনুভব করতে পারছেন না।

এফডব্লিউডিবন্ডসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ক্রিস্টোফার রুপকি বলেন, আমেরিকান ভোক্তারা এখন শুধু টিকে থাকার লড়াই করছেন। আয়কর ফেরতের টাকা হয় শেষ, নয়তো বাড়তি দামের পেছনে খরচ হয়ে গেছে। শেয়ারবাজারের উত্থানও তাদের জীবনে কোনো স্বস্তি দিতে পারছে না

এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি কমলে বিশ্বের অনেক দেশের অর্থনীতিতেই তার প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রিয়াল ছাড়লেন গনজালো গার্সিয়া, পাঁচ বছরের চুক্তিতে ফুলহ্যামে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড

ফিলাডেলফিয়ায় মেমোরিয়াল ডে উইকেন্ডের আগে একটি সুনোকো গ্যাস স্টেশনে লোকজন পেট্রোল কিনছেন।

আপডেটের সময়: ০৫:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ এখন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট। শুক্রবার (২২ মে) ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সর্বশেষ জরিপ বলছে, মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা আস্থার সূচক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে।

সূচকটি মে মাসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৪ দশমিক ২ পয়েন্টে, যা এপ্রিল মাসের ৪৯ দশমিক ৮ পয়েন্ট থেকে বেশ খানিকটা কম। টানা তৃতীয় মাসের মতো সূচকটি পড়ছে এবং এবার আগের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন নিম্নে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য খারাপ খবর। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক। বিশ্বের মোট আমদানির প্রায় ১৩ দশমিক ২ শতাংশই করে আমেরিকা। তাই সেখানকার ভোক্তাদের আস্থা কমলে অনেক দেশের রপ্তানি ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুনঃ  আগস্টজুড়ে নাশকতার শঙ্কা, দেশব্যাপী সতর্ক থাকার নির্দেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি প্রায় তিন মাস ধরে প্রায় অচল। ফলে তেলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে এবং দামও আকাশছোঁয়া। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আগে থেকেই চলতে থাকা উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ।

ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সার্ভে অব কনজিউমার্সের পরিচালক জোয়ান হসু বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো মানুষের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। ৫৭ শতাংশ ভোক্তা বলেছেন, উচ্চ মূল্য তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ ফেলছে। গত মাসে এই হার ছিল ৫০ শতাংশ।

আরও পড়ুনঃ  দক্ষিণ এশিয়ায় অপরাধের শীর্ষে ঢাকা, নিরাপত্তা সূচকে তলানিতে রাজধানী

তিনি আরও জানান, মে মাসে ভোক্তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক সক্ষমতার অনুভূতি ১৩ শতাংশ কমেছে।

জরিপে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি হতাশায় আছেন নিম্ন আয়ের মানুষ এবং যাদের কলেজ ডিগ্রি নেই। জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ধাক্কা তাদের ওপরই পড়ছে।

জোয়ান হসু বলেন, বছরের শুরুতে অনেকে হয়তো ভেবেছিলেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে। কিন্তু তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর তারা বুঝতে পারছেন, এই সংকট সহসাই কাটবে না।

ফলস্বরূপ, আগামী এক বছরে মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা এপ্রিলের ৪ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে মে মাসে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ হয়েছে। পাঁচ বছরের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশাও ৩ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের

বিশেষ করে রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা অনেক বেশি বেড়েছে।

যদিও সামগ্রিক অর্থনৈতিক সূচক এখনো মোটামুটি স্থিতিশীল এবং শেয়ারবাজার নতুন উচ্চতায় উঠছে, তবু সাধারণ আমেরিকানরা এই ইতিবাচকতা অনুভব করতে পারছেন না।

এফডব্লিউডিবন্ডসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ক্রিস্টোফার রুপকি বলেন, আমেরিকান ভোক্তারা এখন শুধু টিকে থাকার লড়াই করছেন। আয়কর ফেরতের টাকা হয় শেষ, নয়তো বাড়তি দামের পেছনে খরচ হয়ে গেছে। শেয়ারবাজারের উত্থানও তাদের জীবনে কোনো স্বস্তি দিতে পারছে না

এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি কমলে বিশ্বের অনেক দেশের অর্থনীতিতেই তার প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন