বাংলাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উদযাপিত হয়েছে। সরকারি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী গত ২৯ মে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি চলমান থাকায় এ বছর বিশেষ ব্যবস্থায় বুধবার (১০ জুন) দিবসটির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের শান্তিরক্ষীদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘Invest in Peace’।
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), জাতিসংঘ মহাসচিব এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী পৃথক বাণী দেন। এসব বাণী দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ক্রোড়পত্র আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
দিবসটির প্রধান আয়োজনের অংশ হিসেবে সকাল ১০টায় ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শাহাদতবরণকারী শান্তিরক্ষীদের পরিবার ও আহত শান্তিরক্ষীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের পর শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ওপর একটি বিশেষ উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক। জ্যেষ্ঠতম শান্তিরক্ষী হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
বিভিন্ন কর্মসূচি
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনৈতিক প্রতিনিধি, জাতিসংঘের কর্মকর্তা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে বিশেষ টকশো প্রচার করা হয়। পাশাপাশি ‘International Day of United Nations Peacekeepers Journal’-এর ১২তম সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 




















