ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছিল তারেক রহমানের নেতৃত্বেই ‘রাতে ওনারা পাশাপাশি বসেন, মাঝখানে চোখ হারায় কর্মীরা’— ফেসবুকে তাসনিম জারা আমার দেখা সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের ফসল এবারের সংসদ: অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ দুই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার ডকুমেন্টারির প্রতিবাদে হামলার অভিযোগ মাহিন সরকারের জবির আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে বিরোধীদলীয় নেতা ছাত্রকে দিয়ে এইচএসসির খাতা মূল্যায়নের অভিযোগে শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত একতা বজায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে: চুয়েট ভিসি গভীর রাতে চুরির চেষ্টা, গৃহবধূর কামড়ে চোরের আঙুলের অংশ বিচ্ছিন্ন মোজাফফরের ‘ডিজিটাল নেটওয়ার্ক’ খুঁজতে মেটার কাছে প্রসিকিউশনের চিঠি
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

যে ৭ অভ্যাস আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে

হৃদরোগের ঝুঁকি বলতে সাধারণত ধূমপান, স্থূলতা বা উচ্চ কোলেস্টেরলের কথা মনে আসে। তবে দৈনন্দিন কিছু সাধারণ অভ্যাসও ধীরে ধীরে হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

১. দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা

ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায় এবং ক্যালোরি পোড়ে কম। এতে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। প্রতি ৩০–৬০ মিনিট পরপর উঠে কয়েক মিনিট হাঁটা বা শরীর নড়াচড়া করা উপকারী।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতন্ত্রকামী সবার সম্মিলিত অবদানের ফল: প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব

২. পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া

নিয়মিত সাত ঘণ্টার কম ঘুম রক্তচাপ ও প্রদাহ বাড়াতে পারে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটায়। সুস্থ হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য প্রতিদিন ৭–৯ ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম প্রয়োজন।

৩. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া

প্যাকেটজাত খাবার, আচার, সস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে অতিরিক্ত লবণ থাকে। বেশি সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। লবণের পরিবর্তে ভেষজ, লেবুর রস ও প্রাকৃতিক মসলা ব্যবহার করা ভালো।

আরও পড়ুনঃ  চীনের গানসুতে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫

৪. মানসিক চাপ অবহেলা করা

দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়ায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত খাওয়া বা ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসও তৈরি হতে পারে। হাঁটা, যোগব্যায়াম, ধ্যান ও গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।

৫. অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় পান

সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এর বদলে পানি, ডাবের পানি, চিনি ছাড়া ঘোল বা সাধারণ চা-কফি পান করা ভালো।

আরও পড়ুনঃ  চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে বড় রেল প্রকল্প নিচ্ছে ভারত

৬. শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা

নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম না থাকলে হৃদ্‌যন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম—যেমন দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার বা নাচ—হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর।

৭. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করা

উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিস অনেক সময় লক্ষণ ছাড়াই দেখা দেয়। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে এসব সমস্যা দ্রুত শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছিল তারেক রহমানের নেতৃত্বেই

যে ৭ অভ্যাস আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে

আপডেটের সময়: ০৭:০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

হৃদরোগের ঝুঁকি বলতে সাধারণত ধূমপান, স্থূলতা বা উচ্চ কোলেস্টেরলের কথা মনে আসে। তবে দৈনন্দিন কিছু সাধারণ অভ্যাসও ধীরে ধীরে হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

১. দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা

ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায় এবং ক্যালোরি পোড়ে কম। এতে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। প্রতি ৩০–৬০ মিনিট পরপর উঠে কয়েক মিনিট হাঁটা বা শরীর নড়াচড়া করা উপকারী।

আরও পড়ুনঃ  অ্যানালগ নয়, ডিজিটালে রূপান্তর জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

২. পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া

নিয়মিত সাত ঘণ্টার কম ঘুম রক্তচাপ ও প্রদাহ বাড়াতে পারে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটায়। সুস্থ হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য প্রতিদিন ৭–৯ ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম প্রয়োজন।

৩. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া

প্যাকেটজাত খাবার, আচার, সস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে অতিরিক্ত লবণ থাকে। বেশি সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। লবণের পরিবর্তে ভেষজ, লেবুর রস ও প্রাকৃতিক মসলা ব্যবহার করা ভালো।

আরও পড়ুনঃ  জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতন্ত্রকামী সবার সম্মিলিত অবদানের ফল: প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব

৪. মানসিক চাপ অবহেলা করা

দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়ায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত খাওয়া বা ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসও তৈরি হতে পারে। হাঁটা, যোগব্যায়াম, ধ্যান ও গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।

৫. অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় পান

সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এর বদলে পানি, ডাবের পানি, চিনি ছাড়া ঘোল বা সাধারণ চা-কফি পান করা ভালো।

আরও পড়ুনঃ  ‘বাংলাদেশ জনরাষ্ট্র আন্দোলন’-এর আত্মপ্রকাশ, ঘোষণা ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি

৬. শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা

নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম না থাকলে হৃদ্‌যন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম—যেমন দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার বা নাচ—হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কার্যকর।

৭. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করা

উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিস অনেক সময় লক্ষণ ছাড়াই দেখা দেয়। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলে এসব সমস্যা দ্রুত শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।