ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রক্ত ঝরিয়েও থামেননি, দলকে জিতিয়েই মায়ের বুকে সাইবারি

 

ডাচদের মুখোমুখি মরক্কো—বিশ্বকাপের এক বাঁচা-মরার লড়াই। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে দেখা গেল এক মরক্কান ফুটবলারের জার্সি রক্তে ভেজা, মাথায় গভীর চোট থেকে অনবরত ঝরছে রক্ত। তবুও মাঠ ছাড়েননি তিনি।

তিনি ইসমাইল সাইবারি, যিনি ব্যথা উপেক্ষা করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। ম্যাচের সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল দলের জয়।

চোটের কারণে কিছু সময় মাঠের বাইরে গেলেও পরে আবারও ফিরে আসেন সাইবারি। টাইব্রেকারে মরক্কোর শেষ শট নেওয়ার দায়িত্বও তার কাঁধেই ছিল। পুরো গ্যালারির নজর তখন তার দিকে। দম নিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি, নিশ্চিত করেন মরক্কোর অবিস্মরণীয় জয় এবং শেষ ষোলোতে জায়গা।

আরও পড়ুনঃ  মানুষ আমাকে এমপি বানিয়েছে, বিএনপিকে এ সত্য মেনে নিতে হবে: রুমিন ফারহানা

ম্যাচ শেষে সাইবারি ছুটে যান গ্যালারিতে। সেখানে অপেক্ষা করছিলেন তার মা। আবেগঘন সেই মুহূর্তে মাকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। রক্তাক্ত লড়াইয়ের পর সন্তানের এমন সাফল্যে কান্না আর আনন্দে ভেসে যান মা।

আরও পড়ুনঃ  ১০৪ জ্বর নিয়েও শুটিং, পরে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে অবিকা গোর

চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন সাইবারি। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচেও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই মরক্কান মিডফিল্ডার।

স্পেনে জন্ম নেওয়া সাইবারির শৈশব কেটেছে বেলজিয়ামে। কৈশোরে ক্লাব থেকে বাদ পড়ার পরও থেমে থাকেননি তিনি। পরে পিএসভি আইন্দহোভেনে যোগ দিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে তার ফুটবল ক্যারিয়ার। কোচ রুড ভ্যান নিস্টলরয়ের তত্ত্বাবধানে তিনি পরিণত হন আধুনিক ফুটবলের এক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে।

আরও পড়ুনঃ  শুকরিয়া আদায় করে শান্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন খালেদা জিয়া

বেলজিয়াম ও স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও মরক্কোকেই বেছে নেন সাইবারি। নিজের দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও আবেগই তাকে আলাদা করে তুলেছে।

মরক্কোর এই ‘রক্তাক্ত নায়ক’-এর লড়াই শুধু একটি ম্যাচের জয় নয়, বরং দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ ও স্বপ্নের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রক্ত ঝরিয়েও থামেননি, দলকে জিতিয়েই মায়ের বুকে সাইবারি

আপডেটের সময়: ১২:১১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

 

ডাচদের মুখোমুখি মরক্কো—বিশ্বকাপের এক বাঁচা-মরার লড়াই। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে দেখা গেল এক মরক্কান ফুটবলারের জার্সি রক্তে ভেজা, মাথায় গভীর চোট থেকে অনবরত ঝরছে রক্ত। তবুও মাঠ ছাড়েননি তিনি।

তিনি ইসমাইল সাইবারি, যিনি ব্যথা উপেক্ষা করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। ম্যাচের সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল দলের জয়।

চোটের কারণে কিছু সময় মাঠের বাইরে গেলেও পরে আবারও ফিরে আসেন সাইবারি। টাইব্রেকারে মরক্কোর শেষ শট নেওয়ার দায়িত্বও তার কাঁধেই ছিল। পুরো গ্যালারির নজর তখন তার দিকে। দম নিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি, নিশ্চিত করেন মরক্কোর অবিস্মরণীয় জয় এবং শেষ ষোলোতে জায়গা।

আরও পড়ুনঃ  শুকরিয়া আদায় করে শান্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন খালেদা জিয়া

ম্যাচ শেষে সাইবারি ছুটে যান গ্যালারিতে। সেখানে অপেক্ষা করছিলেন তার মা। আবেগঘন সেই মুহূর্তে মাকে জড়িয়ে ধরেন তিনি। রক্তাক্ত লড়াইয়ের পর সন্তানের এমন সাফল্যে কান্না আর আনন্দে ভেসে যান মা।

আরও পড়ুনঃ  ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জামালপুরে সাবেক জামায়াত নেতা কারাগারে

চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন সাইবারি। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচেও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই মরক্কান মিডফিল্ডার।

স্পেনে জন্ম নেওয়া সাইবারির শৈশব কেটেছে বেলজিয়ামে। কৈশোরে ক্লাব থেকে বাদ পড়ার পরও থেমে থাকেননি তিনি। পরে পিএসভি আইন্দহোভেনে যোগ দিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে তার ফুটবল ক্যারিয়ার। কোচ রুড ভ্যান নিস্টলরয়ের তত্ত্বাবধানে তিনি পরিণত হন আধুনিক ফুটবলের এক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে।

আরও পড়ুনঃ  বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে রোজারিওতে মেসি, ডি পলের গোল উৎসর্গ

বেলজিয়াম ও স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও মরক্কোকেই বেছে নেন সাইবারি। নিজের দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও আবেগই তাকে আলাদা করে তুলেছে।

মরক্কোর এই ‘রক্তাক্ত নায়ক’-এর লড়াই শুধু একটি ম্যাচের জয় নয়, বরং দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ ও স্বপ্নের প্রতীক হয়ে উঠেছে।