ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মহাখালীর সড়ক ফাঁকা করতে পূর্বাচলে যাচ্ছে অলস বাস গাজায় ফের ইসরায়েলি হামলা, নিহত ২ ফিলিস্তিনি ৩৬ বছর পেটে ছিল মৃত ভ্রূণ, অস্ত্রোপচারে বেরিয়ে এলো ‘পাথর শিশু’ সংকটে পড়লেই জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রাখে: আব্দুল বারী ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বসালে মিলবে ইউনিটপ্রতি ১০ টাকা ৫০ পয়সা মহানবী (সা.)-এর জন্মবার্ষিকীতে ইরানে ২,৫৭৭ বন্দির সাজা কমছে জামায়াতে যোগ দিলেন ইয়াকুব সরকার, সঙ্গে ৬০ নেতাকর্মী তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে ফের আলোচনা, তবে সময় চূড়ান্ত হয়নি ক্ষমতায় গেলে বিএনপির বেকার নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ: কিরন সাত ক্রিকেটারকে ফেরানোর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মিসবাহ, ছাড়লেন নির্বাচকের পদ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

রানিং শু কিনছেন? পায়ের আরাম নিশ্চিত করতে আগে জেনে নিন ৫ বিষয়

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ সময় দেখুন

 

দৌড়ানোর জন্য জুতা কিনতে গেলে অনেকেই ব্র্যান্ড, দাম কিংবা নকশাকেই বেশি গুরুত্ব দেন। তবে ভালো রানিং শু বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে এসবের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো পায়ের গঠন, জুতার ফিট, আরাম এবং দৌড়ানোর ধরন

আপনি কোথায় দৌড়ান, কতটা দূরত্ব অতিক্রম করেন এবং জুতাটি পায়ে কতটা স্বস্তিদায়ক—এসব বিষয় বিবেচনা করেই রানিং শু নির্বাচন করা উচিত। মানসম্মত একটি রানিং শু সাধারণত কয়েকশ মাইল পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। তাই দীর্ঘদিন ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে কেনার সময় কিছু বিষয় অবশ্যই যাচাই করা প্রয়োজন।

দামি জুতাই সেরা—এমন নয়

দৌড়ানো শুরু করলেই কার্বন-ফাইবার প্লেটযুক্ত দামি ‘সুপার শু’ কিনতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। নতুন দৌড়বিদদের জন্য পায়ের সঙ্গে ভালোভাবে মানানসই, সাধারণ ও আরামদায়ক জুতাই যথেষ্ট।

বিশেষ প্রযুক্তির কিছু জুতা অভিজ্ঞ দৌড়বিদদের জন্য কার্যকর হতে পারে। তবে নতুনদের ক্ষেত্রে এসব জুতা কখনো কখনো অস্বস্তির কারণ হতে পারে। তাই প্রথমবার রানিং শু কেনার সময় হাঁটার সময় যে ধরনের জুতা পায়ে স্বাচ্ছন্দ্য দেয়, তার কাছাকাছি মডেল বেছে নেওয়া ভালো।

আরও পড়ুনঃ  রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন

প্রথম পরাতেই আরামদায়ক কি না দেখুন

সাধারণ জুতার ক্ষেত্রে প্রথমে কিছুটা শক্ত মনে হলেও কয়েক দিন ব্যবহারের পর তা নরম হয়ে যেতে পারে। কিন্তু রানিং শুর ক্ষেত্রে ‘সময় গেলে ঠিক হয়ে যাবে’—এই ধারণার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়।

জুতা পরার সঙ্গে সঙ্গে যদি চাপ, ঘষা কিংবা অস্বস্তি অনুভূত হয়, নিয়মিত দৌড়ানোর পর সেই সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই কেনার আগে কয়েক মিনিট জুতা পরে হাঁটুন। পায়ের আঙুল সহজে নড়াতে পারছেন কি না, গোড়ালিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ছে কি না কিংবা কোনো অংশে ঘষা লাগছে কি না—এসব পরীক্ষা করে নিন।

শুধু সাইজ নয়, পায়ের প্রস্থও গুরুত্বপূর্ণ

রানিং শুর মাপ নেওয়ার সময় শুধু পায়ের দৈর্ঘ্য বিবেচনা করলেই হবে না; পায়ের প্রস্থও সমান গুরুত্বপূর্ণ

পা তুলনামূলক চওড়া হলে সরু জুতা পরে দীর্ঘসময় দৌড়ালে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। একই মডেলের জুতা অনেক সময় সাধারণ, ওয়াইড ও এক্সট্রা ওয়াইড—বিভিন্ন প্রস্থে পাওয়া যায়। তাই নিজের জুতার সাইজের পাশাপাশি কোন প্রস্থের জুতা পায়ে বেশি স্বস্তিদায়ক, সেটিও যাচাই করা জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  নেপালে বন্যায় মৃত ৫৮৪, নিখোঁজ প্রায় ২ হাজার

বুঝে নিন জুতার ‘ড্রপ’

রানিং শু কেনার সময় ‘ড্রপ’ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জুতার গোড়ালির নিচের মিডসোল এবং সামনের অংশের নিচের মিডসোলের পুরুত্বের পার্থক্যকে ‘ড্রপ’ বলা হয়।

যারা দৌড়ানোর সময় প্রথমে গোড়ালি মাটিতে রাখেন, তাদের জন্য প্রায় ৮ থেকে ১০ মিলিমিটার ড্রপের জুতা উপযোগী হতে পারে। অন্যদিকে যারা পায়ের মাঝামাঝি বা সামনের অংশে ভর দিয়ে মাটিতে নামেন, তারা ০ থেকে ৮ মিলিমিটার ড্রপের জুতা বিবেচনা করতে পারেন।

নিজের পা কীভাবে মাটিতে পড়ে তা বুঝতে সমস্যা হলে বিশেষায়িত রানিং শুর দোকানে ফুট স্ক্যান করানো যেতে পারে। এতে পায়ের ধরন অনুযায়ী জুতা নির্বাচন সহজ হবে।

দীর্ঘ দৌড়ের জন্য সামনে বাড়তি জায়গা রাখুন

দীর্ঘসময় দৌড়ানোর ফলে পা কিছুটা ফুলে যেতে পারে। তাই যারা নিয়মিত ১০ মাইল বা তার বেশি দূরত্ব দৌড়ান, তাদের জুতার সামনের অংশে কিছুটা বাড়তি জায়গা রাখা ভালো।

আরও পড়ুনঃ  নেপালের আকস্মিক বন্যায় হতাহতদের ঘটনায় সংসদে শোক প্রস্তাব

জুতা বেশি আঁটসাঁট হলে দৌড়ানোর সময় পায়ের আঙুলে চাপ ও ঘর্ষণ তৈরি হতে পারে। এতে নখে আঘাত লাগা বা নখ কালচে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

তাই জুতা কেনার সময় পায়ের আঙুল স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করতে পারছে কি না এবং সামনের দিকে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে নিন।

ব্র্যান্ড নয়, গুরুত্ব দিন পায়ের আরামে

শুধু দেখতে আকর্ষণীয়, দামি কিংবা জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের হলেই কোনো রানিং শু আপনার জন্য উপযুক্ত হবে—এমন নয়। সঠিক জুতা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে পায়ের আরাম, সঠিক মাপ ও প্রস্থ, দৌড়ানোর ধরন এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে প্রথমবার রানিং শু কেনার ক্ষেত্রে দাম বা ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তার চেয়ে পায়ের আরাম ও সঠিক ফিটকে অগ্রাধিকার দেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মহাখালীর সড়ক ফাঁকা করতে পূর্বাচলে যাচ্ছে অলস বাস

রানিং শু কিনছেন? পায়ের আরাম নিশ্চিত করতে আগে জেনে নিন ৫ বিষয়

আপডেটের সময়: ০৬:৫২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

দৌড়ানোর জন্য জুতা কিনতে গেলে অনেকেই ব্র্যান্ড, দাম কিংবা নকশাকেই বেশি গুরুত্ব দেন। তবে ভালো রানিং শু বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে এসবের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো পায়ের গঠন, জুতার ফিট, আরাম এবং দৌড়ানোর ধরন

আপনি কোথায় দৌড়ান, কতটা দূরত্ব অতিক্রম করেন এবং জুতাটি পায়ে কতটা স্বস্তিদায়ক—এসব বিষয় বিবেচনা করেই রানিং শু নির্বাচন করা উচিত। মানসম্মত একটি রানিং শু সাধারণত কয়েকশ মাইল পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। তাই দীর্ঘদিন ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে কেনার সময় কিছু বিষয় অবশ্যই যাচাই করা প্রয়োজন।

দামি জুতাই সেরা—এমন নয়

দৌড়ানো শুরু করলেই কার্বন-ফাইবার প্লেটযুক্ত দামি ‘সুপার শু’ কিনতে হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। নতুন দৌড়বিদদের জন্য পায়ের সঙ্গে ভালোভাবে মানানসই, সাধারণ ও আরামদায়ক জুতাই যথেষ্ট।

বিশেষ প্রযুক্তির কিছু জুতা অভিজ্ঞ দৌড়বিদদের জন্য কার্যকর হতে পারে। তবে নতুনদের ক্ষেত্রে এসব জুতা কখনো কখনো অস্বস্তির কারণ হতে পারে। তাই প্রথমবার রানিং শু কেনার সময় হাঁটার সময় যে ধরনের জুতা পায়ে স্বাচ্ছন্দ্য দেয়, তার কাছাকাছি মডেল বেছে নেওয়া ভালো।

আরও পড়ুনঃ  নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৪৬৯, নিখোঁজ অন্তত ১,৫০০

প্রথম পরাতেই আরামদায়ক কি না দেখুন

সাধারণ জুতার ক্ষেত্রে প্রথমে কিছুটা শক্ত মনে হলেও কয়েক দিন ব্যবহারের পর তা নরম হয়ে যেতে পারে। কিন্তু রানিং শুর ক্ষেত্রে ‘সময় গেলে ঠিক হয়ে যাবে’—এই ধারণার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়।

জুতা পরার সঙ্গে সঙ্গে যদি চাপ, ঘষা কিংবা অস্বস্তি অনুভূত হয়, নিয়মিত দৌড়ানোর পর সেই সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই কেনার আগে কয়েক মিনিট জুতা পরে হাঁটুন। পায়ের আঙুল সহজে নড়াতে পারছেন কি না, গোড়ালিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ছে কি না কিংবা কোনো অংশে ঘষা লাগছে কি না—এসব পরীক্ষা করে নিন।

শুধু সাইজ নয়, পায়ের প্রস্থও গুরুত্বপূর্ণ

রানিং শুর মাপ নেওয়ার সময় শুধু পায়ের দৈর্ঘ্য বিবেচনা করলেই হবে না; পায়ের প্রস্থও সমান গুরুত্বপূর্ণ

পা তুলনামূলক চওড়া হলে সরু জুতা পরে দীর্ঘসময় দৌড়ালে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। একই মডেলের জুতা অনেক সময় সাধারণ, ওয়াইড ও এক্সট্রা ওয়াইড—বিভিন্ন প্রস্থে পাওয়া যায়। তাই নিজের জুতার সাইজের পাশাপাশি কোন প্রস্থের জুতা পায়ে বেশি স্বস্তিদায়ক, সেটিও যাচাই করা জরুরি।

আরও পড়ুনঃ  নেপালের আকস্মিক বন্যায় হতাহতদের ঘটনায় সংসদে শোক প্রস্তাব

বুঝে নিন জুতার ‘ড্রপ’

রানিং শু কেনার সময় ‘ড্রপ’ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জুতার গোড়ালির নিচের মিডসোল এবং সামনের অংশের নিচের মিডসোলের পুরুত্বের পার্থক্যকে ‘ড্রপ’ বলা হয়।

যারা দৌড়ানোর সময় প্রথমে গোড়ালি মাটিতে রাখেন, তাদের জন্য প্রায় ৮ থেকে ১০ মিলিমিটার ড্রপের জুতা উপযোগী হতে পারে। অন্যদিকে যারা পায়ের মাঝামাঝি বা সামনের অংশে ভর দিয়ে মাটিতে নামেন, তারা ০ থেকে ৮ মিলিমিটার ড্রপের জুতা বিবেচনা করতে পারেন।

নিজের পা কীভাবে মাটিতে পড়ে তা বুঝতে সমস্যা হলে বিশেষায়িত রানিং শুর দোকানে ফুট স্ক্যান করানো যেতে পারে। এতে পায়ের ধরন অনুযায়ী জুতা নির্বাচন সহজ হবে।

দীর্ঘ দৌড়ের জন্য সামনে বাড়তি জায়গা রাখুন

দীর্ঘসময় দৌড়ানোর ফলে পা কিছুটা ফুলে যেতে পারে। তাই যারা নিয়মিত ১০ মাইল বা তার বেশি দূরত্ব দৌড়ান, তাদের জুতার সামনের অংশে কিছুটা বাড়তি জায়গা রাখা ভালো।

আরও পড়ুনঃ  মহাখালীর সড়ক ফাঁকা করতে পূর্বাচলে যাচ্ছে অলস বাস

জুতা বেশি আঁটসাঁট হলে দৌড়ানোর সময় পায়ের আঙুলে চাপ ও ঘর্ষণ তৈরি হতে পারে। এতে নখে আঘাত লাগা বা নখ কালচে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

তাই জুতা কেনার সময় পায়ের আঙুল স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করতে পারছে কি না এবং সামনের দিকে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে নিন।

ব্র্যান্ড নয়, গুরুত্ব দিন পায়ের আরামে

শুধু দেখতে আকর্ষণীয়, দামি কিংবা জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের হলেই কোনো রানিং শু আপনার জন্য উপযুক্ত হবে—এমন নয়। সঠিক জুতা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে পায়ের আরাম, সঠিক মাপ ও প্রস্থ, দৌড়ানোর ধরন এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে প্রথমবার রানিং শু কেনার ক্ষেত্রে দাম বা ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তার চেয়ে পায়ের আরাম ও সঠিক ফিটকে অগ্রাধিকার দেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।