রাশিয়ার ভূখণ্ডে ইতোমধ্যে ৮ হাজারের বেশি উত্তর কোরীয় সেনা অবস্থান করছে এবং আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নতুন তথ্যের বরাতে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ায় পাঠানোর জন্য এসব সেনাকে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে নির্বাচিত করা হয়েছে। পরে তাদের রাশিয়ায় পাঠানো হবে বলে জানান তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
এর আগে আগস্টে জেলেনস্কি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে অংশ নিতে উত্তর কোরিয়া থেকে ৫০ হাজার পর্যন্ত সেনা পাঠানো হতে পারে। ওই সময় দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সহায়তার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।
এর জবাবে গত জুলাইয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ইউক্রেনকে ১০ কোটি ডলারের সহায়তা প্যাকেজ দেওয়ার ঘোষণা দেয়। তবে দেশটি ইউক্রেনকে মারাত্মক কোনো অস্ত্র সরবরাহ করেনি।
ইউক্রেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সাল থেকে রাশিয়ার যুদ্ধে সহায়তার জন্য উত্তর কোরিয়া আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে। তাদের বেশিরভাগকে কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় সেনাদের আক্রমণ ঠেকাতে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সেনা পাঠানোর পাশাপাশি উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে বিপুল পরিমাণ কামানের গোলা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও দূরপাল্লার রকেট সরবরাহ করেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
জেলেনস্কির নতুন তথ্য প্রকাশের আগে দুই উত্তর কোরীয় যুদ্ধবন্দিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তরের বিষয়টি নিয়ে সিউল ও কিয়েভের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়। যুদ্ধবন্দিদের হস্তান্তরের তথ্য গোপনে রাখার বিষয়ে করা চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।
তবে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউক্রেন। এ ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়া ইউক্রেনের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে।
সূত্র: রয়টার্স
প্রতিবেদকের নাম 


























