ঝিনাইদহে সাবেক স্ত্রী ও স্কুলশিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে পলাশ হোসেন (৩২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার পলাশ হোসেন ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গাবলা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ শহরের একটি চক্ষু হাসপাতালে কর্মরত বলে জানা গেছে। অভিযোগকারী ওই নারী পেশায় একজন স্কুলশিক্ষিকা।
তালাকের পরও বাসায় যাতায়াতের অভিযোগ
ঝিনাইদহ সদর থানায় দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক সম্মতিতে পলাশের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়। প্রায় ছয় বছর সংসার করার পর গত ২১ ফেব্রুয়ারি পলাশ তাঁকে তালাকের নোটিশ পাঠান। তাঁদের সংসারে দুই বছর তিন মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
এজাহারে ওই নারী অভিযোগ করেন, কন্যাসন্তানের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে পলাশ প্রায়ই ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানায় বেকাব্রিজ-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় যেতেন। সেখানে তিনি তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
১১ অক্টোবর ধর্ষণের অভিযোগ
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ১১ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে ওই নারী তাঁর শিশুকন্যাকে নিয়ে বাসায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় পলাশ কৌশলে সেখানে প্রবেশ করে তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসার আগেই অভিযুক্ত ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান বলে এজাহারে বলা হয়েছে।
পরে ভুক্তভোগী তাঁর অভিভাবক ও স্বজনদের নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ পলাশ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রতিনিধি, ঝিনাইদহ 
























