ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, সম্ভাব্য নাম ‘অর্ণব’; বাংলাদেশে আঘাতের আশঙ্কা কম নিখোঁজের পর সেতুর নিচে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাদ্রাসাশিক্ষকের মৃত্যু শাহজালাল রুমিকে গ্রেফতারে পুলিশের কোনো অভিযান নেই: রাশেদ খাঁন দুই সপ্তাহের বিরতি শেষে চালু হচ্ছে রিয়াদ বিমানবন্দর পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি; প্রার্থী বাছাইয়ে চাপে বিএনপি শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলেছে স্বর্ণ-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা পালমারের প্রথম লাল কার্ড, টটেনহ্যামের কাছে হেরে চেলসির শততম বহিষ্কার ২৯ অক্টোবর প্রকাশ হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ডালিম নাকি আপেল, কোন ফলের পুষ্টিগুণ বেশি? চট্টগ্রামে সাংবাদিককে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ, প্রধান আসামি ‘ভেড়া সাইফুল’ গ্রেপ্তার
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ডালিম নাকি আপেল, কোন ফলের পুষ্টিগুণ বেশি?

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ সময় দেখুন

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ডালিম ও আপেল—দুটিই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে। তবে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণে ফল দুটির মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে।

ডালিমে রয়েছে পলিফেনল, পুনিক্যালাজিন ও এলাজিট্যানিনের মতো উদ্ভিজ্জ যৌগ, যেগুলোর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। কিছু গবেষণায় ডালিমের রস গ্রহণের সঙ্গে রক্তচাপ কমার সম্পর্ক পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, আপেল খাদ্যআঁশ ও পলিফেনলের ভালো উৎস। আপেলের দ্রবণীয় খাদ্যআঁশ পেকটিন রক্তের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুনঃ  ৬৭৮ কোটি টাকার অর্থপাচার মামলা: দিলীপ আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

পুষ্টিগুণে কে এগিয়ে?

পুষ্টিমান অনুযায়ী, আধা কাপ ডালিমের দানায় প্রায় ৭২ ক্যালরি, ৩.৫ গ্রাম খাদ্যআঁশ ও ২০৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। অন্যদিকে, একটি মাঝারি আকারের আপেলে প্রায় ৯৬ ক্যালরি, ৪ গ্রাম খাদ্যআঁশ ও ১৬৯ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম পাওয়া যায়।

অর্থাৎ, খাদ্যআঁশের পরিমাণে আপেল কিছুটা এগিয়ে থাকলেও পটাশিয়ামের পরিমাণ ডালিমে বেশি। পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং স্বাভাবিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

আরও পড়ুনঃ  এক ক্লিকেই ৩৯ হাজার আখচাষির অ্যাকাউন্টে ১২ কোটি টাকা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দিক থেকেও রয়েছে পার্থক্য

ডালিমে অ্যান্থোসায়ানিন, এলাজিক অ্যাসিড ও বিভিন্ন ধরনের ট্যানিন রয়েছে। অন্যদিকে, আপেলে পাওয়া যায় পলিফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ভিটামিন সি। এসব উপাদান শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে শুধু অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণের ভিত্তিতে কোনো একটি ফলকে হৃদযন্ত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ বলা যায় না। ফলের পরিমাণ, সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও ব্যক্তির স্বাস্থ্যের অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।

যেভাবে খাবেন ডালিম ও আপেল

পুষ্টিগুণ পেতে ফলের রসের পরিবর্তে গোটা ফল খাওয়া ভালো। সকালের নাশতায় ওটমিল বা চিনি ছাড়া দইয়ের সঙ্গে ডালিমের দানা খাওয়া যেতে পারে। আবার বিকালের নাশতায় একটি আপেল রাখা যায়। চাইলে ফলের সঙ্গে অল্প পরিমাণ লবণবিহীন বাদামও খেতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  ‘এখনই মন্ত্রীদের বিদায় হতে হচ্ছে, বাকি সময়ে কী হবে?’

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ফল খাওয়ার পাশাপাশি সুষম খাবার গ্রহণ, অতিরিক্ত লবণ সীমিত রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে শুধু ফল খাওয়াকে চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

সব মিলিয়ে, ডালিম ও আপেল—দুটিই হৃদস্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার উপকারী অংশ। তাই একটি ফলের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়াই ভালো।

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, সম্ভাব্য নাম ‘অর্ণব’; বাংলাদেশে আঘাতের আশঙ্কা কম

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ডালিম নাকি আপেল, কোন ফলের পুষ্টিগুণ বেশি?

আপডেটের সময়: ০৮:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ডালিম ও আপেল—দুটিই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে। তবে খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণে ফল দুটির মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে।

ডালিমে রয়েছে পলিফেনল, পুনিক্যালাজিন ও এলাজিট্যানিনের মতো উদ্ভিজ্জ যৌগ, যেগুলোর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এসব উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। কিছু গবেষণায় ডালিমের রস গ্রহণের সঙ্গে রক্তচাপ কমার সম্পর্ক পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, আপেল খাদ্যআঁশ ও পলিফেনলের ভালো উৎস। আপেলের দ্রবণীয় খাদ্যআঁশ পেকটিন রক্তের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও ভূমিকা রাখে।

আরও পড়ুনঃ  ‘এখনই মন্ত্রীদের বিদায় হতে হচ্ছে, বাকি সময়ে কী হবে?’

পুষ্টিগুণে কে এগিয়ে?

পুষ্টিমান অনুযায়ী, আধা কাপ ডালিমের দানায় প্রায় ৭২ ক্যালরি, ৩.৫ গ্রাম খাদ্যআঁশ ও ২০৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। অন্যদিকে, একটি মাঝারি আকারের আপেলে প্রায় ৯৬ ক্যালরি, ৪ গ্রাম খাদ্যআঁশ ও ১৬৯ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম পাওয়া যায়।

অর্থাৎ, খাদ্যআঁশের পরিমাণে আপেল কিছুটা এগিয়ে থাকলেও পটাশিয়ামের পরিমাণ ডালিমে বেশি। পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং স্বাভাবিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

আরও পড়ুনঃ  আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দিক থেকেও রয়েছে পার্থক্য

ডালিমে অ্যান্থোসায়ানিন, এলাজিক অ্যাসিড ও বিভিন্ন ধরনের ট্যানিন রয়েছে। অন্যদিকে, আপেলে পাওয়া যায় পলিফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ভিটামিন সি। এসব উপাদান শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে শুধু অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণের ভিত্তিতে কোনো একটি ফলকে হৃদযন্ত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ বলা যায় না। ফলের পরিমাণ, সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস ও ব্যক্তির স্বাস্থ্যের অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ।

যেভাবে খাবেন ডালিম ও আপেল

পুষ্টিগুণ পেতে ফলের রসের পরিবর্তে গোটা ফল খাওয়া ভালো। সকালের নাশতায় ওটমিল বা চিনি ছাড়া দইয়ের সঙ্গে ডালিমের দানা খাওয়া যেতে পারে। আবার বিকালের নাশতায় একটি আপেল রাখা যায়। চাইলে ফলের সঙ্গে অল্প পরিমাণ লবণবিহীন বাদামও খেতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ  শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড ম্যাচে রেকর্ডের ছড়াছড়ি, ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরির পরও হার ইংল্যান্ডের

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে ফল খাওয়ার পাশাপাশি সুষম খাবার গ্রহণ, অতিরিক্ত লবণ সীমিত রাখা, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে শুধু ফল খাওয়াকে চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

সব মিলিয়ে, ডালিম ও আপেল—দুটিই হৃদস্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার উপকারী অংশ। তাই একটি ফলের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়াই ভালো।

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।