ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী গবেষণার ফলাফল ইম্প্যাক্টফুল হতে হবে : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব অনলাইন চালের দাম স্থিতিশীল—বাজার পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে : সাইফুল হক জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিএনপি আগামী ৫ বছর দেশ পরিচালনা করবে: প্রধানমন্ত্রী ইরানের আচরণ না বদলালে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ড ম্যাচের পর ইরান জাতীয় দলের প্রথম অনুশীলন অনুষ্ঠিত বাবা-মায়ের ভিন্ন ধর্ম, নিজের বিশ্বাস নিয়ে যা বললেন বিজয় ডিম টাটকা না পুরোনো—সহজে বোঝার উপায় বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

আশুরার রোজা কয়টি রাখতে হয়?

  • arif
  • আপডেটের সময়: ০৮:৩১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৫ সময় দেখুন

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে মহররম মাসের ১০ তারিখ, অর্থাৎ পবিত্র আশুরা, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি দিন। এ দিনকে ঘিরে রয়েছে নানা ঐতিহাসিক ঘটনা এবং বিশেষ ইবাদতের সুযোগ। আশুরার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো রোজা পালন। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে—আশুরার রোজা কয়টি রাখতে হয়?

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, আশুরার দিনে রোজা রাখার প্রচলন নবী-রাসুলদের যুগ থেকেই চলে আসছে। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, মহানবী হজরত Muhammad (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তারা জানান, এ দিন মহান আল্লাহ হজরত Moses (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের ফিরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এজন্য কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তারা রোজা পালন করতেন।

আরও পড়ুনঃ  ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাইল জামায়াত

এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মুসা (আ.)-এর অনুসরণ করার ক্ষেত্রে মুসলমানরাই বেশি অধিকারী। এরপর তিনি নিজেও আশুরার রোজা পালন করেন এবং সাহাবিদেরও তা পালনের নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে সাহাবিরা উল্লেখ করেন যে, ইহুদিরাও আশুরার দিনে রোজা রাখে। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) জানান, ভবিষ্যতে তিনি ১০ মহররমের সঙ্গে ৯ মহররমও রোজা রাখবেন। অন্য একটি হাদিসে তিনি ১০ মহররমের সঙ্গে ৯ অথবা ১১ মহররম মিলিয়ে রোজা রাখার কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ  টানা চার দফা কমার পর বাড়ল স্বর্ণের দাম

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, এসব হাদিসের আলোকে আশুরার রোজা দুটি রাখা উত্তম। অর্থাৎ ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা সুন্নাহসম্মত। অনেক আলেম ৯, ১০ ও ১১ মহররম—এই তিন দিন রোজা রাখাকেও অধিক ফজিলতপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  ইংলিশ চ্যানেলে রুশ ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ট্যাংকার আটক করলো যুক্তরাজ্য

হাদিসে আশুরার রোজার বিশেষ মর্যাদার কথাও এসেছে। সহিহ মুসলিমের একটি বর্ণনা অনুযায়ী, আশুরার রোজার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী এক বছরের ছোট গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আশুরার রোজা পালনের ক্ষেত্রে শুধু ১০ মহররমে সীমাবদ্ধ না থেকে এর সঙ্গে ৯ অথবা ১১ মহররম মিলিয়ে রোজা রাখা সুন্নাহর অধিক কাছাকাছি এবং হাদিসসম্মত আমল। ফলে মুসলমানদের জন্য আশুরার রোজা দুটি রাখা উত্তম বলে বিবেচিত হয়।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশুরার রোজা কয়টি রাখতে হয়?

আপডেটের সময়: ০৮:৩১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে মহররম মাসের ১০ তারিখ, অর্থাৎ পবিত্র আশুরা, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি দিন। এ দিনকে ঘিরে রয়েছে নানা ঐতিহাসিক ঘটনা এবং বিশেষ ইবাদতের সুযোগ। আশুরার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো রোজা পালন। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে—আশুরার রোজা কয়টি রাখতে হয়?

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, আশুরার দিনে রোজা রাখার প্রচলন নবী-রাসুলদের যুগ থেকেই চলে আসছে। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, মহানবী হজরত Muhammad (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তারা জানান, এ দিন মহান আল্লাহ হজরত Moses (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের ফিরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এজন্য কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তারা রোজা পালন করতেন।

আরও পড়ুনঃ  চার জেলায় শিল্পাঞ্চল বিস্তারে নতুন উদ্যোগ, দুই জেলায় ইপিজেড ও তিন জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়বে সরকার

এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মুসা (আ.)-এর অনুসরণ করার ক্ষেত্রে মুসলমানরাই বেশি অধিকারী। এরপর তিনি নিজেও আশুরার রোজা পালন করেন এবং সাহাবিদেরও তা পালনের নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে সাহাবিরা উল্লেখ করেন যে, ইহুদিরাও আশুরার দিনে রোজা রাখে। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) জানান, ভবিষ্যতে তিনি ১০ মহররমের সঙ্গে ৯ মহররমও রোজা রাখবেন। অন্য একটি হাদিসে তিনি ১০ মহররমের সঙ্গে ৯ অথবা ১১ মহররম মিলিয়ে রোজা রাখার কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ  আলোর মুখ দেখছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প, বিনিয়োগে বড় সম্ভাবনা

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, এসব হাদিসের আলোকে আশুরার রোজা দুটি রাখা উত্তম। অর্থাৎ ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা সুন্নাহসম্মত। অনেক আলেম ৯, ১০ ও ১১ মহররম—এই তিন দিন রোজা রাখাকেও অধিক ফজিলতপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, প্রভাব মূল্যায়ন করবে সরকার

হাদিসে আশুরার রোজার বিশেষ মর্যাদার কথাও এসেছে। সহিহ মুসলিমের একটি বর্ণনা অনুযায়ী, আশুরার রোজার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী এক বছরের ছোট গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আশুরার রোজা পালনের ক্ষেত্রে শুধু ১০ মহররমে সীমাবদ্ধ না থেকে এর সঙ্গে ৯ অথবা ১১ মহররম মিলিয়ে রোজা রাখা সুন্নাহর অধিক কাছাকাছি এবং হাদিসসম্মত আমল। ফলে মুসলমানদের জন্য আশুরার রোজা দুটি রাখা উত্তম বলে বিবেচিত হয়।