জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে র্যাব। সম্ভাব্য নাশকতা, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো তৎপরতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে র্যাব-২-এর উপপরিচালক (মিডিয়া) মেজর এম. মুবীন রহমান তাপস এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। একই দিনে শেরেবাংলা নগরে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে র্যাব-২-এর ২১২ সদস্যের বিশেষ নিরাপত্তা টিম দায়িত্ব পালন করবে। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশ ও বহির্গমনপথে চেকপোস্ট স্থাপন, জোরদার টহল, মোটরসাইকেল পেট্রোলিং এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি নিষিদ্ধ সংগঠন, উগ্রবাদী গোষ্ঠী এবং রাষ্ট্রবিরোধী কোনো মহলের সম্ভাব্য তৎপরতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।
নিরাপত্তা কার্যক্রমে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা এসএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। এছাড়া ডগ স্কোয়াড, বোম্ব স্কোয়াড এবং সাইবার সিকিউরিটি টিম মোতায়েন থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
মেজর এম. মুবীন রহমান তাপস বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সব সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক অনুষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে বাহিনীটি প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও জানান, কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যকলাপ চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ র্যাব ক্যাম্প অথবা র্যাব-২-এর হটলাইন ০১৭৭৭৭১০২৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে তথ্য দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















