ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জীবনের ‘সবচেয়ে খারাপ’ সিদ্ধান্ত ছিল কপালে ইনজেকশন: মিনি মাথুর

প্রায় ১৫ বছর আগের এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী, টেলিভিশন উপস্থাপক ও মডেল মিনি মাথুর। সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য নয়, একটি শোয়ের শুটিংয়ের প্রয়োজনে কপালে বোটক্স ইনজেকশন নিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই সিদ্ধান্তকেই এখন জীবনের ‘সবচেয়ে খারাপ সিদ্ধান্ত’ বলে মনে করেন এই তারকা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিনি জানান, প্রায় দেড় দশক আগে জঙ্গলের মধ্যে একটি শোয়ের শুটিং করছিলেন তিনি। তীব্র রোদের কারণে বারবার ভ্রু কুঁচকাতে হচ্ছিল। এতে কপালের মাঝখানে গভীর একটি রেখা তৈরি হয়, যা ক্যামেরায় স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল।

আরও পড়ুনঃ  ইনফান্তিনোর পাশে নেই সার্বিয়া-সুইডেন, ফিফা সভাপতির নেতৃত্ব নিয়ে বাড়ছে চাপ

পরিস্থিতি সামাল দিতে শুটিং ইউনিটের পক্ষ থেকেই বিষয়টি সমাধানের পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকের কাছে গেলে ইনজেকশনের মাধ্যমে বোটক্স প্রয়োগ করে কপালের ওই অংশের পেশি সাময়িকভাবে অবশ করে দেওয়ার কথা বলা হয়। তাতে সম্মতি দেন মিনি।

কিন্তু চিকিৎসার পরপরই শুরু হয় তার অস্বস্তি। মিনি জানান, বোটক্স নেওয়ার পর মুখের পেশি এতটাই শক্ত হয়ে গিয়েছিল যে তিনি স্বাভাবিকভাবে কোনো অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারছিলেন না। অভিনয়ের সময় ভেতরের আবেগ বা দুঃখও মুখে ফুটিয়ে তুলতে পারছিলেন না তিনি। বিষয়টি তার জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুনঃ  ঝিনাইদহে সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের যুগান্তকারী সাফল্য

সৌভাগ্যবশত, বোটক্সের এই প্রভাব স্থায়ী হয়নি। প্রায় তিন মাস পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন তিনি।

বোটক্স করানোর আগে এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা না থাকাকেই নিজের মূল আক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন মিনি।

তবে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেও এ ধরনের চিকিৎসার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেননি তিনি। তার মতে, কেউ ব্যক্তিগত পছন্দে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বোটক্স করালে তাতে আপত্তির কিছু নেই। তবে সমাজ বা অন্য কোনো ব্যক্তি যেন একজন নারীর চেহারা কেমন হওয়া উচিত, তা নির্ধারণ করে না দেয়।

আরও পড়ুনঃ  তিন দিনের সফরে সৌদি আরব গেলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে অল্প বয়সেই কৃত্রিম উপায়ে সৌন্দর্য বাড়ানোর প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মিনি। নতুন প্রজন্মকে নিজের স্বাভাবিক ও অকৃত্রিম সৌন্দর্যকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: ইত্তেফাক

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

জীবনের ‘সবচেয়ে খারাপ’ সিদ্ধান্ত ছিল কপালে ইনজেকশন: মিনি মাথুর

আপডেটের সময়: ১২:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

প্রায় ১৫ বছর আগের এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী, টেলিভিশন উপস্থাপক ও মডেল মিনি মাথুর। সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য নয়, একটি শোয়ের শুটিংয়ের প্রয়োজনে কপালে বোটক্স ইনজেকশন নিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই সিদ্ধান্তকেই এখন জীবনের ‘সবচেয়ে খারাপ সিদ্ধান্ত’ বলে মনে করেন এই তারকা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিনি জানান, প্রায় দেড় দশক আগে জঙ্গলের মধ্যে একটি শোয়ের শুটিং করছিলেন তিনি। তীব্র রোদের কারণে বারবার ভ্রু কুঁচকাতে হচ্ছিল। এতে কপালের মাঝখানে গভীর একটি রেখা তৈরি হয়, যা ক্যামেরায় স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল।

আরও পড়ুনঃ  ইনফান্তিনোর পাশে নেই সার্বিয়া-সুইডেন, ফিফা সভাপতির নেতৃত্ব নিয়ে বাড়ছে চাপ

পরিস্থিতি সামাল দিতে শুটিং ইউনিটের পক্ষ থেকেই বিষয়টি সমাধানের পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকের কাছে গেলে ইনজেকশনের মাধ্যমে বোটক্স প্রয়োগ করে কপালের ওই অংশের পেশি সাময়িকভাবে অবশ করে দেওয়ার কথা বলা হয়। তাতে সম্মতি দেন মিনি।

কিন্তু চিকিৎসার পরপরই শুরু হয় তার অস্বস্তি। মিনি জানান, বোটক্স নেওয়ার পর মুখের পেশি এতটাই শক্ত হয়ে গিয়েছিল যে তিনি স্বাভাবিকভাবে কোনো অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারছিলেন না। অভিনয়ের সময় ভেতরের আবেগ বা দুঃখও মুখে ফুটিয়ে তুলতে পারছিলেন না তিনি। বিষয়টি তার জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুনঃ  হাইকোর্টের জামিনে কারামুক্ত তনু হত্যা মামলার আসামি সাবেক সেনাসদস্য

সৌভাগ্যবশত, বোটক্সের এই প্রভাব স্থায়ী হয়নি। প্রায় তিন মাস পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন তিনি।

বোটক্স করানোর আগে এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা না থাকাকেই নিজের মূল আক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন মিনি।

তবে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেও এ ধরনের চিকিৎসার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেননি তিনি। তার মতে, কেউ ব্যক্তিগত পছন্দে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বোটক্স করালে তাতে আপত্তির কিছু নেই। তবে সমাজ বা অন্য কোনো ব্যক্তি যেন একজন নারীর চেহারা কেমন হওয়া উচিত, তা নির্ধারণ করে না দেয়।

আরও পড়ুনঃ  হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা, আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়ল অপরিশোধিত তেলের দা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে অল্প বয়সেই কৃত্রিম উপায়ে সৌন্দর্য বাড়ানোর প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মিনি। নতুন প্রজন্মকে নিজের স্বাভাবিক ও অকৃত্রিম সৌন্দর্যকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: ইত্তেফাক