ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
এমপিদের বেতন ৫ লাখ, মন্ত্রীদের ১০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরুল হক নুরের রাষ্ট্রপতি পদে ড. ইউনূসকে কোনো প্রস্তাব নয়, আলোচনায় মির্জা ফখরুল: প্রতিবেদন মুরগি, ডিম ও দুধের দাম আবারও বেড়েছে, কমেছে কাঁচামরিচ; কিছুটা স্বস্তিতে সবজির বাজার ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে ঘিরে চাপ বাড়ছে, পাশে আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো ‘এক দফা’ আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেক্ষাপট নিয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন রাশেদ খাঁন হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা, আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়ল অপরিশোধিত তেলের দা বিদেশফেরত শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরিয়ে উন্নয়নে কাজে লাগাতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা: শিশুসহ নিহত ৯, দায় বেপরোয়া গতি ও ওভারটেকিং বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: নিহত ৭, আহত অন্তত ২৩ ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

জুরাছড়িতে ইউএনওসহ ১৬ গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

  • arif
  • আপডেটের সময়: ০৯:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ২৯ সময় দেখুন

রাঙামাটির দুর্গম জুরাছড়ি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের মধ্যে ১৬টিতেই স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। পাশের উপজেলার কর্মকর্তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন এখানে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। প্রয়োজনীয় সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে পর্যন্ত ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দ। এর পর থেকে রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, বরকল, বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই উপজেলার ইউএনওদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে জরুরি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও জনসেবামূলক কাজে বিলম্ব হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ ঘোষণা

উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার পদ ৮-১০ বছর ধরে শূন্য। একইভাবে উপজেলা প্রকৌশলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং পরিসংখ্যান কর্মকর্তার পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি। সমবায় বিভাগের চারটি পদই শূন্য। বরকল উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করলেও মাসে এক-দুই দিনের বেশি জুরাছড়িতে আসতে পারেন না। এ ছাড়া তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় থাকলেও সেখানে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নেই।

আরও পড়ুনঃ  জবির আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে বিরোধীদলীয় নেতা

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সরকারি কর্মচারী জানান, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জরুরি কাজ সময়মতো সম্পন্ন হয় না।

বনযোগীছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা বলেন, কর্মকর্তা সংকটের কারণে সরকারের সেবা তৃণমূলে পৌঁছাতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় মানুষ প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  দ্রুত দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণার দাবি সাংবাদিক নেতাদের

স্থানীয় হেডম্যান সম্রাট চাকমা বলেন, দুর্গম এলাকার মানুষ এমনিতেই নানা কষ্টে সরকারি সেবা নেন। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে সেই ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

ইউপি সদস্য ননাবী চাকমা বলেন, কর্মকর্তা সংকটের কারণে নারী, শিশু ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়নও ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, জুরাছড়ির মতো দুর্গম উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। কার্যকর জনসেবা নিশ্চিত ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া জরুরি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

এমপিদের বেতন ৫ লাখ, মন্ত্রীদের ১০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরুল হক নুরের

জুরাছড়িতে ইউএনওসহ ১৬ গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

আপডেটের সময়: ০৯:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটির দুর্গম জুরাছড়ি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের মধ্যে ১৬টিতেই স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। পাশের উপজেলার কর্মকর্তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন এখানে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। প্রয়োজনীয় সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে পর্যন্ত ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দ। এর পর থেকে রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, বরকল, বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই উপজেলার ইউএনওদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে জরুরি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও জনসেবামূলক কাজে বিলম্ব হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  মোজাফফরের ‘ডিজিটাল নেটওয়ার্ক’ খুঁজতে মেটার কাছে প্রসিকিউশনের চিঠি

উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার পদ ৮-১০ বছর ধরে শূন্য। একইভাবে উপজেলা প্রকৌশলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এবং পরিসংখ্যান কর্মকর্তার পদ দীর্ঘদিন ধরে খালি। সমবায় বিভাগের চারটি পদই শূন্য। বরকল উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করলেও মাসে এক-দুই দিনের বেশি জুরাছড়িতে আসতে পারেন না। এ ছাড়া তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় থাকলেও সেখানে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নেই।

আরও পড়ুনঃ  আজ গোপালগঞ্জের যেসব এলাকায় টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সরকারি কর্মচারী জানান, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জরুরি কাজ সময়মতো সম্পন্ন হয় না।

বনযোগীছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা বলেন, কর্মকর্তা সংকটের কারণে সরকারের সেবা তৃণমূলে পৌঁছাতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় মানুষ প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  দুর্নীতির অভিযোগে কাশিমপুর ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত

স্থানীয় হেডম্যান সম্রাট চাকমা বলেন, দুর্গম এলাকার মানুষ এমনিতেই নানা কষ্টে সরকারি সেবা নেন। কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে সেই ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

ইউপি সদস্য ননাবী চাকমা বলেন, কর্মকর্তা সংকটের কারণে নারী, শিশু ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়নও ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, জুরাছড়ির মতো দুর্গম উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। কার্যকর জনসেবা নিশ্চিত ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনতে দ্রুত শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া জরুরি।