ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
‘তোমাকে ছাড়া এখনও বেঁচে আছি’, সুগন্ধি চালের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন, এক মাসে কেজিতে বেড়েছে ৬০–৮০ টাকা শুটিং সেটে আহত রাশমিকা মান্দানা, ছয় সপ্তাহ বিশ্রামের পরামর্শ চিকিৎসকদের ঢাকার মঞ্চে প্রথমবার গান শোনাবেন পাকিস্তানি র‍্যাপার হাসান রহিম দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী ৪-৫ বছরের মধ্যে অর্থনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশা, উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আগস্টে টানা বৃষ্টি ও বন্যার আভাস, সাগরে একাধিক লঘুচাপের শঙ্কা সাভারে মশাল মিছিলের সময় ৯ জন গ্রেপ্তার, জব্দ ব্যানার-মশাল ও মোটরসাইকেল জয়পুরহাট-নওগাঁর নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধে ইরানকে ভারতের আহ্বান
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

প্রথমবারের মতো ১২ পারমাণবিক অস্ত্র ‘মোতায়েন’ করলো ভারত

পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘মোতায়েন’ করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) সবশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা এসআইপিআরআই তাদের সবশেষ প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির কয়েক দশকের নীতি থেকে এক ব্যাপক বিচ্যুতির কথা প্রকাশ করেছে, যেখানে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হতো।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবারই প্রথম ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে কেবল মজুত নয়, বরং ‘কার্যক্ষমভাবে মোতায়েনকৃত’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  এক সুতোয় জড়াতে পারে রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: নিউইয়র্ক টাইমস

এসআইপিআরআই বলছে, প্রস্তুত অবস্থায় থাকা পারমাণবিক অস্ত্রকে ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন করা ভারতের সামরিক প্রস্তুতির মাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন করে মোতায়েন করা ১২টি ওয়ারহেড এমন প্রথম উদাহরণ, যেখানে ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেডকে সরাসরি ডেলিভারি সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে সক্রিয় সামরিক ঘাঁটিতে রেখেছে।

এসআইপিআরআই-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১৯০-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে গঠিত ভারতের ক্রমবর্ধমান ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ।

আরও পড়ুনঃ  পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণ, নিহত ৩৪ শ্রমিক

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো যে ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাকে আলাদা করে রাখে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রকে ক্যানিস্টারে সংরক্ষণ এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার দেশটির সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ইঙ্গিত করছে যে ভারত কিছু ওয়ারহেড শান্তিকালেই উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত রাখার দিকে এগোতে পারে।

তবে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তার ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি বজায় রেখেছে। এই নীতির আওতায় দেশটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা কোনো সংঘাতে প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না। শুধুমাত্র ভারতের ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থানরত ভারতীয় বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে তার জবাব হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  শক্তিশালী ভূমিকম্পে ইতালির নেপলসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার উদ্দেশ্য অস্ত্র প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া নয়; বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার জন্য একটি সীমিত কিন্তু কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখা।

সূত্র: এনডিটিভি

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘তোমাকে ছাড়া এখনও বেঁচে আছি’,

প্রথমবারের মতো ১২ পারমাণবিক অস্ত্র ‘মোতায়েন’ করলো ভারত

আপডেটের সময়: ০৭:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনে ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘মোতায়েন’ করেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) সবশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা এসআইপিআরআই তাদের সবশেষ প্রতিবেদনে নয়াদিল্লির কয়েক দশকের নীতি থেকে এক ব্যাপক বিচ্যুতির কথা প্রকাশ করেছে, যেখানে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সরবরাহ ব্যবস্থা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হতো।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবারই প্রথম ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে কেবল মজুত নয়, বরং ‘কার্যক্ষমভাবে মোতায়েনকৃত’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ভারত, চীন ইস্যুতে উদ্বেগের কথা সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে

এসআইপিআরআই বলছে, প্রস্তুত অবস্থায় থাকা পারমাণবিক অস্ত্রকে ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন করা ভারতের সামরিক প্রস্তুতির মাত্রা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নতুন করে মোতায়েন করা ১২টি ওয়ারহেড এমন প্রথম উদাহরণ, যেখানে ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেডকে সরাসরি ডেলিভারি সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে সক্রিয় সামরিক ঘাঁটিতে রেখেছে।

এসআইপিআরআই-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১৯০-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে গঠিত ভারতের ক্রমবর্ধমান ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ।

আরও পড়ুনঃ  মধ্যরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো যে ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাকে আলাদা করে রাখে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রকে ক্যানিস্টারে সংরক্ষণ এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার দেশটির সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ইঙ্গিত করছে যে ভারত কিছু ওয়ারহেড শান্তিকালেই উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত রাখার দিকে এগোতে পারে।

তবে ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তার ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি বজায় রেখেছে। এই নীতির আওতায় দেশটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তারা কোনো সংঘাতে প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না। শুধুমাত্র ভারতের ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থানরত ভারতীয় বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে তার জবাব হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  গাজায় মসজিদ ও তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় হতাহত অনেক

ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার উদ্দেশ্য অস্ত্র প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া নয়; বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার জন্য একটি সীমিত কিন্তু কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখা।

সূত্র: এনডিটিভি