ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন:
📰 Dainikbishawsongbad.com— দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন, আন্তর্জাতিক সংবাদ ও গুরুত্বপূর্ণ সকল আপডেট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন 🌍 নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সংবাদ পরিবেশনে আমরা সবসময় আপনার পাশে। 📢 আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর পোস্ট সুবিধা রয়েছে। 🌐 DainikBishwaSongbad.com

শেরপুর-তেলিবাজার সড়কে থামছে না দুর্ঘটনা, ৬ মাসে নিহত ১১৭

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের শেরপুর থেকে তেলিবাজার অংশে একের পর এক দুর্ঘটনায় বাড়ছে প্রাণহানি। প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে পরিচিত। গত ছয় মাসে সিলেট জেলায় ১৮৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৭ জন নিহত হয়েছেন।

সর্বশেষ শুক্রবার (৭ আগস্ট) শেরপুর-তেলিবাজার অংশে দুই বাসের সংঘর্ষে নয়জন নিহত হন। নিহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম বন্ধুদের সঙ্গে সিলেট ঘুরতে এসেছিলেন। দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যরা শোকাহত হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুনঃ  বাঁশের সাঁকো উদ্বোধনে লাল ফিতা কাটলেন বিএনপি নেতা

দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বেহাল সড়ক ও বেপরোয়া গতি

স্থানীয় চালক ও সংশ্লিষ্টদের মতে, সড়কের বিভিন্ন অংশের বেহাল অবস্থা এবং মহাসড়কে অবৈধ যানবাহনের চলাচল দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতি ও অদক্ষ চালকদের কারণেও দুর্ঘটনা বাড়ছে।

এর আগে গত মে মাসে একই মহাসড়কে একটি ট্রাকের ধাক্কায় পিকআপভ্যানে থাকা সাত শ্রমিক নিহত হন।

আরও পড়ুনঃ  কৃষকের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে বাজার সিন্ডিকেট ভাঙার হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট জেলা কমিটির আহ্বায়ক শফিকুল রহমান চৌধুরী বলেন, অদক্ষ চালক, বেপরোয়া গতি ও অন্যান্য কারণে এ অঞ্চলে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি সড়ক ব্যবস্থাপনায়ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

চালকদের ক্লান্তিও বড় কারণ

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এ এলাকায় পৌঁছানোর সময় অনেক চালক ক্লান্ত হয়ে পড়েন। চালকদের এই ক্লান্তিও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

আরও পড়ুনঃ  যেভাবে প্রবেশ করবেন জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে

তিনি বলেন, মহাসড়কের ছয় লেনের কাজ সম্পন্ন হলে সড়কের সক্ষমতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনার সংখ্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনা কমাতে দ্রুত সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করে সংস্কার, অবৈধ যান চলাচল বন্ধ, চালকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং মহাসড়কে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি।

T ag

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় পোস্ট

শেরপুর-তেলিবাজার সড়কে থামছে না দুর্ঘটনা, ৬ মাসে নিহত ১১৭

আপডেটের সময়: ১১:৩৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের শেরপুর থেকে তেলিবাজার অংশে একের পর এক দুর্ঘটনায় বাড়ছে প্রাণহানি। প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে পরিচিত। গত ছয় মাসে সিলেট জেলায় ১৮৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৭ জন নিহত হয়েছেন।

সর্বশেষ শুক্রবার (৭ আগস্ট) শেরপুর-তেলিবাজার অংশে দুই বাসের সংঘর্ষে নয়জন নিহত হন। নিহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম বন্ধুদের সঙ্গে সিলেট ঘুরতে এসেছিলেন। দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যরা শোকাহত হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুনঃ  মারধরের ঘটনায় ঢাবির বিজয় একাত্তর হল থেকে শিক্ষার্থী বহিষ্কার

দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বেহাল সড়ক ও বেপরোয়া গতি

স্থানীয় চালক ও সংশ্লিষ্টদের মতে, সড়কের বিভিন্ন অংশের বেহাল অবস্থা এবং মহাসড়কে অবৈধ যানবাহনের চলাচল দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতি ও অদক্ষ চালকদের কারণেও দুর্ঘটনা বাড়ছে।

এর আগে গত মে মাসে একই মহাসড়কে একটি ট্রাকের ধাক্কায় পিকআপভ্যানে থাকা সাত শ্রমিক নিহত হন।

আরও পড়ুনঃ  বাঁশের সাঁকো উদ্বোধনে লাল ফিতা কাটলেন বিএনপি নেতা

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট জেলা কমিটির আহ্বায়ক শফিকুল রহমান চৌধুরী বলেন, অদক্ষ চালক, বেপরোয়া গতি ও অন্যান্য কারণে এ অঞ্চলে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনা কমাতে চালকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি সড়ক ব্যবস্থাপনায়ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

চালকদের ক্লান্তিও বড় কারণ

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এ এলাকায় পৌঁছানোর সময় অনেক চালক ক্লান্ত হয়ে পড়েন। চালকদের এই ক্লান্তিও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।

আরও পড়ুনঃ  হরমুজ প্রণালি চালুর আশায় কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম

তিনি বলেন, মহাসড়কের ছয় লেনের কাজ সম্পন্ন হলে সড়কের সক্ষমতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনার সংখ্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনা কমাতে দ্রুত সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করে সংস্কার, অবৈধ যান চলাচল বন্ধ, চালকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং মহাসড়কে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি।