কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো দুই আসামি হলেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মুহাম্মদ খাজা আহমেদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দৌলতপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দৌলতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ আলী মর্তুজা জানান, এ নিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামির মধ্যে তিনজনসহ মোট ছয়জন কারাগারে রয়েছেন।
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হত্যা মামলার পর থেকেই প্রধান আসামিসহ কয়েকজন পলাতক ছিলেন। এর আগে এক আসামিকে র্যাব এবং আরও কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। খাজা আহমেদ ও আসাদুজ্জামান উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তী জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে মঙ্গলবার তারা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
কুষ্টিয়া আদালতের পরিদর্শক জহুরুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশের পর দুই আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পটভূমি
গত ১১ এপ্রিল দৌলতপুর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর গ্রামে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে পীর আবদুর রহমান ওরফে শামীমের ওপর হামলা চালানো হয়। কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় ১৩ এপ্রিল নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবেদকের নাম 




















