ত্বক ফর্সাকারী আটটি ব্র্যান্ডের স্কিনক্রিমে ভয়াবহ মাত্রায় ক্ষতিকর মার্কারি (Mercury) শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব ক্রিম ব্যবহার করলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই জনসাধারণকে এসব পণ্য ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, সম্প্রতি দেশীয় বাজারে বিভিন্ন বিদেশি ফর্সাকারী ক্রিম অবৈধভাবে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। এসব পণ্য বৈধ আমদানি ছাড়াই লাগেজ বা চোরাইপথে দেশে প্রবেশ করায় মান নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকে না।
এ পরিস্থিতিতে বাজার থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্কিনক্রিম সংগ্রহ করে বিএসটিআইয়ের পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হলে আটটি পণ্যে বাংলাদেশে অনুমোদিত মানের চেয়ে বহু গুণ বেশি মাত্রায় ক্ষতিকর মার্কারির উপস্থিতি পাওয়া যায়।
যেসব ব্র্যান্ডের স্কিনক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি শনাক্ত হয়েছে, সেগুলো হলো—
- চাঁদনি হোয়াইটেনিং ক্রিম (এস জে এন্টারপ্রাইজ, পাকিস্তান)
- নিউ ফেস বিউটি ক্রিম (কিউসিআই কোম্পানি, পাকিস্তান)
- নাভিয়া বিউটি ক্রিম (লোয়া ইন্টারন্যাশনাল, পাকিস্তান)
- নাভিয়া হোয়াইটেনিং ক্রিম (লোয়া ইন্টারন্যাশনাল, পাকিস্তান)
- নুর হোয়াইটেনিং ক্রিম (নুর এন্টারপ্রাইজ, পাকিস্তান)
- ডিউ বিউটি ক্রিম (ক্রিয়েটিভ কসমেটিকস, পাকিস্তান)
- গৌরি বিউটি ক্রিম (গৌরি কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেড, পাকিস্তান)
- ন্যাচারাল পার্ল স্কিন ক্রিম (জিএলডিজেবি (হারবিন) কসমেটিকস কোম্পানি লিমিটেড, চীন)
বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাই বিএসটিআইয়ের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি অবৈধভাবে আমদানি ও বাজারজাত করা প্রসাধনী ব্যবহারে সতর্ক থাকার পাশাপাশি নিরাপদ ও অনুমোদিত পণ্য ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
প্রতিবেদকের নাম 




















