মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টায় দফায় দফায় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। শনিবার দিবাগত রাতে পরপর তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর রোববার (৪ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে আবারও ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভোরের ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৪৪৩ কিলোমিটার দূরে ছিল। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত সোয়া ১২টা থেকে রাত দেড়টার মধ্যে প্রায় ৭৫ মিনিটের ব্যবধানে তিন দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয় দেশের বিভিন্ন এলাকায়।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, রাত ১২টা ১২ মিনিটে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ৪ দশমিক ৯ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্প হয়। এর প্রভাবে কক্সবাজার, টেকনাফ ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়।
এর এক মিনিট পর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন মিজোরামের লুংলেই এলাকায় ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প হয়। এ কম্পন চট্টগ্রামের পাশাপাশি কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালীসহ আশপাশের এলাকাতেও অনুভূত হয়।
পরে রাত ১টা ২৭ মিনিটে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা কেন্দ্রিক ৩ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্যেও ত্রিপুরার ডালাই এলাকায় এ ভূকম্পনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যরাতে ও ভোরে অনেকেই নিরাপত্তার জন্য ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ও সিসমোলজিক্যাল পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলো ভূমিকম্পের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে।
প্রতিবেদকের নাম 





















