গুরুতর অসঙ্গতি থাকা খাতাগুলো অগ্রাধিকার পাবে
এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনঃমূল্যায়নের জন্য ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় কোন ধরনের খাতা পুনঃমূল্যায়নের আওতায় আসবে, তা নির্ধারণে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রায় ২০ লাখ খাতা পুনরায় দেখা সম্ভব নয়
খাতা পুনঃমূল্যায়নে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৮০ সংশোধনের মাধ্যমে খাতা পুনঃমূল্যায়নের সুযোগ চালু করা হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় সব শিক্ষার্থী আবেদন করায় বিপুলসংখ্যক খাতা পুনরায় পরীক্ষা করা সরকারের জন্য বাস্তবসম্মত নয়।
তিনি বলেন, প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর খাতা পুনরায় দেখা কার্যত অসম্ভব। তাই কোন ধরনের খাতা পুনঃমূল্যায়ন করা হবে এবং কোনগুলো হবে না, তা নীতিমালার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
গুরুতর অসঙ্গতি থাকা খাতা গুরুত্ব পাবে
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এসব আবেদনের নিষ্পত্তি করে শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য কিছুটা সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।
আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে টেবুলেশন শিট ও নিরীক্ষার বিষয়গুলো দেখা হবে। যেসব খাতায় গুরুতর অসঙ্গতি বা সমস্যা পাওয়া যাবে, সেগুলোই মূলত গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
পরীক্ষকদের মূল্যায়নও যাচাই হবে
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, পুনঃমূল্যায়নের মাধ্যমে পরীক্ষকদের খাতা মূল্যায়নের মান সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যাবে। কোনো পরীক্ষক সঠিকভাবে খাতা দেখছেন কি না কিংবা নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অসঙ্গতি করছেন কি না—এসব বিষয়ও যাচাই করা সম্ভব হবে।
মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার কথাও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
প্রতিবেদকের নাম 




















